বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা'ছুম বলেছেন, ‘বর্তমান সময়ের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কোরআন-সুন্নাহর আলোকে আদর্শিক দৃঢ়তা, নৈতিকতা, ঐক্য, ধৈর্য এবং সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।’
এসময় তিনি সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) লাকসামের স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দিনব্যাপী ‘ইউনিট সভাপতি’ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ইউনিট সভাপতি এবং দায়িত্বশীল নেতারা অংশগ্রহণ করেন।
লাকসাম উপজেলা আমির হাফেজ জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা সেক্রেটারি জোবায়ের ফয়সাল।
অনুষ্ঠানে দারসুল কোরআন পেশ করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ড. অধ্যক্ষ শফিকুল আলম হেলাল।
তিনি কোরআনের আলোকে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ গঠনে ইসলামী আন্দোলনের দায়িত্বশীলদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
‘সংগঠন সম্প্রসারণ ও মজবুতি অর্জনে ইউনিট দায়িত্বশীলদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা উপস্থাপন করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমির অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান।
তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরো গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।
এরপর জামায়াতের আদর্শ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা এবং দাওয়াতি কার্যক্রম বেগবান করার বিষয়ে মৌলিক আলোচনা করেন উপজেলা আমির হাফেজ জহিরুল ইসলাম।
সমাপনী বক্তব্যে উপজেলা আমির হাফেজ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘ইউনিটই সংগঠনের প্রাণশক্তি। প্রতিটি ইউনিটকে আরো শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলতে আন্তরিকতা ও পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে হবে।’
সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমির হাফেজ মোসাররফ, পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা শহীদ উল্ল্যাহ, উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা হায়াতুন্নবী আলী, নিজাম উদ্দিন ও মহসিন, কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল কালাম ভূঁইয়া, মাওলানা ফরিদুল হক, মাওলানা নুরে আলম, মাওলানা ফখরুল ইসলাম, আবদুল মান্নান মজুমদারসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।



