জামালপুরের ইসলামপুরে দশআনী নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি। উপজেলার গোয়ালের চর ইউনিয়নের বোলাকীপাড়া থেকে গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনের চর পর্যন্ত বিশাল এলাকা জুড়ে চলছে এই নদী ভাঙনের তাণ্ডব।
এলাকাবাসী জানান, বিগত দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পূর্ববর্তী সরকার এই এলাকার নদী ভাঙন রোধে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
যে কারণে দশআনী নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে বোলাকীপাড়া-নাপিতের চর বাজার সড়কসহ অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি ও শত শত একর ফসলি জমি।
ফলে ইসলামপুর উপজেলার মানচিত্র থেকে শত শত একর জমি বকশীগঞ্জ উপজেলার মানচিত্রের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে। স্থানীয় লোকজন নিজেদের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি রক্ষার জন্য স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে বাঁশের আড়াআড়ি বেড়া নির্মাণ করেও ভাঙন রোধ করতে পারছেন না। এই অঞ্চলের মানুষদের দশআনী নদীর ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য এ. কে. এম. সুলতান মাহমুদ বাবু এবং জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
বোলাকীপাড়া গ্রামের আব্দুল কাদের বলেন, ‘আমরা সারা জীবন বিএনপির প্রার্থী সুলতান মাহমুদ বাবু এমপিকে ধানের শীষে ভোট দিয়েছি। তার প্রতি হিংসা করে আওয়ামী লীগের লোকজন দশআনী নদীর ভাঙন রোধে বোলাকীপাড়া গ্রামের মানুষের পক্ষে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।’
গোল্লা মিয়া বলেন, ‘আমার বাড়িটি নদী ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য নিজের টাকায় বাঁশ পাইলিং করেছিলাম। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।’
গোয়ালেরচর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউপি সদস্য আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বঞ্চিত বোলাকীপাড়া গ্রামের মানুষের দিকে বর্তমান সরকার ও স্থানীয় এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু সুদৃষ্টি রাখবেন—এটাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা।’



