লোহাগড়ায় বিএনপি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বাড়িঘরে হামলা-ভাংচুর

‘স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা করিম, সমীর ঘোস, উত্তমসহ ২৫/৩০ জন মিলে বিএনপি অফিস ভাংচুর, স্কুলে আক্রমণ এবং ঘরবাড়ি ভাংচুর করেছে, যা দুঃখজনক।’

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিএনপি অফিস
হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিএনপি অফিস |নয়া দিগন্ত

লোহাগড়া (নড়াইল) সংবাদদাতা

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের কলাগাছি রায়গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে নোয়াগ্রাম কলাগাছী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন নোয়াগ্রাম কলাগাছী বাজারে সবুজ সরদারের ছেলে সাকিব সরদারের সাথে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী করিম শেখের বাগ্বিতণ্ডা হয়।

এর জের ধরে নোয়াগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা উত্তম সাহা, সমীর ঘোষ, আলাউদ্দিন মোল্যা, মাহাবুর মোল্যা, সাহাবুর, কামাল শেখ, গফফার শেখসহ ২৫/৩০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কলাগাছী বাজারে অবস্থিত স্থানীয় বিএনপির অফিস ভাংচুর করে। এ সময় তারা সাকিব সরদার (১৯) নামে একজন শিক্ষার্থীকে মারধর করে।

এরপর তারা আর কে কে জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী হাবিবুর রহমান ও অফিস সহায়ক হেলাল উদ্দিনের ওপর চড়াও হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে তারা স্কুল ভবনে আশ্রয় নেন। এ সময় হামলাকারীরা স্কুলের চেয়ার-টেবিল ভাংচুর করে।

এঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতা সাবু সরদার বলেন, ‘স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা করিম, সমীর ঘোস, উত্তমসহ ২৫/৩০ জন মিলে বিএনপি অফিস ভাংচুর, স্কুলে আক্রমণ এবং ঘরবাড়ি ভাংচুর করেছে, যা দুঃখজনক। আমি হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা সমীর ঘোষ ও উত্তম সাহার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাদের দুজনের ফোন নম্বর বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে করিম শেখ নামে একজন আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘ঘটনা তুচ্ছ, এর সাথে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই।’

এ ব্যাপারে লোহাগড়া থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, ‘ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’