‘মেহেদির রঙে এসো রাঙাই দু’হাত, শিউলিয়া ঘ্রাণে মাতুক রঙিন প্রভাত’- এই স্লোগানে কিশোরগঞ্জে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার উদ্যোগে মেহেদি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) জেলা শহরের শোলাকিয়া গুলশান মোড় এলাকায় সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত এই উৎসব চলে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী ছাড়াও শিশুরা অংশ নেয়।
শহরের ৪নম্বর ওয়ার্ড শাখা আয়োজিত উৎসবটি পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। এতে ছাত্রীসংস্থার জেলা শাখার বেশ কয়েকজন নেত্রী উপস্থিত ছিলেন। ইসলামী সংগীত পরিবেশনা ও মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠে উৎসবটি।

উৎসবে অংশ নেয়া শিক্ষার্থী আনজানা নওরোজ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি প্রায় সময় ঘরে বসে একা মেহেদি দেই। কিন্তু এবারের মেহেদি দেয়াটা ছিল অন্যরকম। মেহেদি দেয়ার পাশাপাশি কুরআন হাদিসের আলোকে আলোচনা শোনা আমাকে অনেক আনন্দ দিয়েছে।’
শিক্ষার্থী রুজবা সিরাত বলেন- ‘সংগঠনের বড় আপুরা সুন্দর সুন্দর নকশা করে হাতে মেহেদি এঁকে দিয়েছে। বিষয়টা অনেক মজার ছিল।’

অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে তাসপিয়া আক্তার, শান্তা আক্তার ও শারা আক্তার জানান, ‘উৎসবে একে অপরকে মেহেদি রাঙানোর পাশাপাশি কুরআনের আলোচনায় আড্ডাটাও জমে উঠেছিল। অনেক ভালো লেগেছে আমাদের।’
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার দায়িত্বশীল এক নেত্রী নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘ইসলাম একটি সার্বজনীন জীবন ব্যবস্থা। হালাল বিনোদনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মনকে প্রফুল্ল রাখাই ছিল এই উৎসবের উদ্দেশ্য। ছাত্রীসংস্থা চায় শিক্ষা দীক্ষায় মেয়েরা এগিয়ে থাকুক। ইসলামের আলোকে জীবন গঠনের পাশাপাশি দেশ সমাজ ও মানুষের কল্যাণকর কাজে ছাত্রীসংস্থা অতীতেও অনেক অবদান রেখেছে। আগামীতেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে।’



