বাউবির বিএ-বিএসএস পরীক্ষা নকলমুক্ত করতে কঠোর প্রস্তুতি

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা-২০২৫ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনের লক্ষে প্রস্তুতিমূলক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মো: আজিজুল হক, গাজীপুর মহানগর

Location :

Gazipur
বাউবির বিএ-বিএসএস পরীক্ষা নকলমুক্ত করতে কঠোর প্রস্তুতি
বাউবির বিএ-বিএসএস পরীক্ষা নকলমুক্ত করতে কঠোর প্রস্তুতি |নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা-২০২৫ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনের লক্ষে প্রস্তুতিমূলক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা বিভাগের আয়োজনে অনলাইনে এ সভা হয়।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মো: হাবিবুল্লাহ মাহমুদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন বাউবির ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।

তিনি বলেন, বাউবির পরীক্ষা নিয়ে প্রচলিত নেতিবাচক ধারণা পরিবর্তনে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীলভাবে পরীক্ষা গ্রহণের বিকল্প নেই। এ জন্য পরীক্ষা বিভাগ, আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র, পরীক্ষা কমিটি, শিক্ষক-কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

ভিসি বলেন, পরীক্ষার্থীদের সাথে মানবিক আচরণ করতে হবে, তবে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধানের মধ্যেই করতে হবে। পরীক্ষা কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় আনার উদ্যোগ এগিয়ে চলছে এবং আইসিটি প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটরিং, ভর্তি ও অনুমোদনসংক্রান্ত পেন্ডিং কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তি এবং পরীক্ষা শুরুর পর থেকেই নজরদারি জোরদারের নির্দেশ দেন তিনি।

তিনি উত্তরপত্র দ্রুত মূল্যায়ন করে স্বল্পতম সময়ে ফল প্রকাশ এবং আসন্ন পরীক্ষা নিয়ে গণমাধ্যম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ইতিবাচক প্রচারণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাউবির প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাবিবুল্লাহ মাহমুদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিনের জটিলতা কাটিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এবার পরীক্ষা কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের তুলনায় এক থেকে দেড় মাস এগিয়ে আনা হয়েছে এবং ফল প্রকাশের সময়ও কমানো হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই পরীক্ষায় পুরোনো খাতা ব্যবহার করা যাবে না এবং একজন পরীক্ষার্থী সর্বোচ্চ ১০টি কোর্সের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

সভায় জানানো হয়, আসন্ন বিএ ও বিএসএস পরীক্ষায় সারা দেশের ২৮৮টি কেন্দ্রে মোট ২ লাখ ৪৭ হাজার ১৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন। সভায় বিভিন্ন আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের কর্মকর্তারা পরীক্ষার প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতামত দেন।