পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩২টি কচ্ছপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত রাখা ৩২টি কচ্ছপ একটি প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

Location :

Bhola
কচ্ছপ উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হচ্ছে
কচ্ছপ উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হচ্ছে |নয়া দিগন্ত

চরফ্যাশন (ভোলা) সংবাদদাতা
পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩২টি কচ্ছপ উদ্ধার করে চরফ্যাশন বন বিভাগের কার্যালয়ে নিয়েছে বনবিভাগর কর্মকর্তারা।

শনিবার (২২ আগস্ট) গভীর রাতে চরফ্যাশনের মাছ বাজার থেকে বিলুপ্ত প্রায় সন্ধি ও করি কাইট্টা প্রজাতির ৩২টি কচ্ছপ উদ্ধার করে বন বিভাগ।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত রাখা ৩২টি কচ্ছপ একটি প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

ভোলা বন কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা নার্সারি কেন্দ্রের ফরেস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাছিম আল খুসবুর নেতৃত্বে একটি ইউনিট অভিযানে অংশ নেন।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানায়, উদ্ধার হওয়া কচ্ছপের মধ্যে ৩২টি আজ সকালে বন বিভাগের পুকুরে অবমুক্ত করা হয়েছে।

বন বিভাগের বন কর্মকর্তা আবদুস সালাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমাদের কাছে তথ্য আসে চরফ্যাশন উপজেলার চারটি স্থান থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিলুপ্ত কচ্ছপ পাচার করা হচ্ছে।’

বাংলাদেশে ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী কচ্ছপ শিকার ও পাচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও দেশী-বিদেশী চোরাকারবারিরা ধুম, সন্ধি, করি কাইট্টা ও হলুদ কাইট্টার মতো প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির কচ্ছপ অবৈধভাবে শিকার ও পাচার করে আসছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে এর গোশত ও খোলসের চড়া দাম হওয়ায় কচ্ছপ পাচার হচ্ছে। রাতে উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলো সন্ধি ও করি কাইট্টা প্রজাতির। যা বাংলাদেশে প্রায় বিলুপ্ত।