বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) সংসদীয় আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, পবিত্র রমজান মাস ইবাদতের মাস। এই মাসে মানুষকে জিম্মি করে অতি মুনাফা লাভের চিন্তা বর্জন করতে হবে। রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনশীল ও সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার ভেতরে রাখতে হবে। কোনো প্রকার সিন্ডিকেট করে বাজার অস্থিতিশীল করা যাবে না। জনগণের ভোগান্তি কমানো এবং রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় কয়রা উপজেলার বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন ও মনিটরিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, জনগণের ভোগান্তি কমানো এবং রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করা সবার নৈতিক দায়িত্ব। কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়ানো বা ওজনে কম দেয়ার মতো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। যারা এ ধরনের অপচেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বাজার তদারকি শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, রমজানজুড়ে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি মুদি, হোটেল, কাঁচামাল, ফলমূল, মাছ ও গোশতের দোকান ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সাথে কথা বলেন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যতালিকা যাচাই করেন।
এ সময় ভেজাল ও অতিরিক্ত দামের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারির কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
তিনি আরো বলেন, সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং স্বস্তিতে ইবাদত করার পরিবেশ নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য। বাজার যেন সারা বছর স্থিতিশীল থাকে, সে জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ্ আল বাকী, কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা: শুভমনিয়াম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দেবপ্রসাদ রায়, কয়রা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা শেখ সাইফুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজা উদ্দিন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি মাওলানা শাহাবুদ্দীন আহমেদ, সদর ইউনিয়ন আমির গাজী মিজানুর রহমান, যুব বিভাগের ইউনিয়ন সভাপতি হাফেজ জাহিদুল ইসলামসহ প্রমুখ।



