গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার পীরের পুণ্যভূমিতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী বান্নীর মেলা। তবে আগের বছরের তুলনায় এবার দর্শনার্থীর উপস্থিতি কম থাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে লোকসানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে ধাপেরহাট ইউনিয়নের তিলকপাড়া মৌজায় অবস্থিত ৪১ পিরের পুণ্যভূমি পীরেরহাট ময়দানে এ মেলা শুরু হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের ধাপেরহাট বাসস্ট্যান্ড থেকে আধা কিলোমিটার পূর্বে মেলাটি বসেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) নারীদের মেলা শেষে শনিবার পুরুষদের মেলা শুরু হয়। মেলায় মনোহারী, মিষ্টি, দই, খই, হুড়ুম-বাতাসা, ডালা-কুলা, বেতশিল্প, কাঠের আসবাবপত্র, পুতুলনাচ, নাগরদোলা ও কামারের তৈরি বিভিন্ন সামগ্রীর দোকান বসেছে।
এ মেলায় দর্শনার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে মনোবাসনা পূরণের আশায় একটি পুকুরের পানি পান করে থাকেন। কেউ কেউ বোতলে করে সেই পানি সংগ্রহ করতেও দেখা গেছে।
এবার সরকারিভাবে মেলাটির ইজারা নিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা মাসুদ রানা প্রামাণিক।
কসমেটিকস দোকানি আলতাফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, গত বছর ৫০০ টাকা ইজারা দিয়ে ভালো বিক্রি হয়েছিল। কিন্তু এ বছর লোকসমাগম কম হওয়ায় বিক্রি কমেছে। তার ওপর জোরপূর্বক ১ হাজার ৪০০ টাকা ইজারা নেয়া হয়েছে, এতে লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে।
মেলা ইজারাদার মাসুদ রানা প্রামাণিকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন জানান, এ বছর মেলাটি ৫ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকায় ইজারা দেয়া হয়েছে। মেলা সফল করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।



