জেলেরা যে সময়টার জন্য মুখিয়ে থাকেন সে সময়টির ভরা মৌসুম চললেও তাদের জালে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। ফলে হতাশ হয়ে পড়ছেন চরফ্যাসনের সামরাজ মৎস্যঘাটের জেলেরা।
বর্ষার আষাঢ়-শ্রাবণে জেলেদের যেরকম হাঁকডাক থাকে, এখানকার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রগুলোতে নেই সেই চিরচেনা হাঁকডাক।
চরফ্যাশন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র সামরাজ ঘাটের জেলে মজিদ শাহ ও নজরুল ইসলাম মাঝির সাথে কথা বলে জানা যায়, সমুদ্রে অবৈধ ট্রলিং ও ছোট ফাঁসের নিষিদ্ধ জালের ব্যবহারের ফলে দিন দিন মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। যার ফলে, উপকূলীয় সাধারণ জেলেরা মাছ পাচ্ছেন না।
এছাড়াও তারা আরো বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতে নদীতে পানি বাড়লে সাগর থেকে ইলিশ মাছ নদীতে চলে আসে। এ সময় জেলেদের জালে ইলিশ মাছ ধরা পড়ার কথা থাকলেও জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না ইলিশ।
নদীতে ইলিশসহ অন্যান্য প্রজাতির মাছ না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তাদের। এতে করে পরিবার পরিজন নিয়ে হতাশায় দিন পার করছেন।
এ ব্যাপারে চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, ‘নদীর মোহনায় অসংখ্য ডুবোচর সৃষ্টি হওয়া, জলবায়ূর পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় এলাকার নদ-নদীতে ইলিশের বিচরণের পথ ও প্রজনন ক্ষেত্র অনিরাপদ হয়ে উঠেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ট্রলিং জাল বা অবৈধ ট্রলারের মাধ্যমে মাছ শিকার রোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয় মৎস্যঘাটগুলোতে। আমরা আশাবাদী গত কয়েক দিনের পর্যাপ্ত বৃষ্টিতে নদীর পানি বেড়েছে। আশা করা যায় সামনের সময়ে ইলিশ উপকূলীয় নদীতে আসবে।’



