সাটুরিয়ায় খাল খনন প্রকল্প

সরকারি কোষাগারে সোয়া ১ কোটি টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও

ইউএনও জানান, জনগণের আমানত ও সরকারি তহবিলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সাশ্রয় হওয়া অবশিষ্ট টাকা কোষাগারে জমা দেয়া হয়।

সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা

Location :

Saturia
সরকারি কোষাগারে টাকা ফেরত
সরকারি কোষাগারে টাকা ফেরত |নয়া দিগন্ত

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে কাজ শেষে বেঁচে যাওয়া এক কোটি ২২ লাখ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম।

বুধবার (২৯ জুলাই) ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সাশ্রয়কৃত এই অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি তহবিলে জমা দেয়া হয়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় থেকে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার পুনঃখনন কর্মসূচি নেয়। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) অধীনে সাটুরিয়া ও বালিয়াটি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে প্রবাহিত প্রায় সাত কিলোমিটার দীর্ঘ চন্দ্রখালী খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেয়া হয়। উক্ত প্রকল্পের জন্য মোট বরাদ্দ ছিল দুই কোটি ৮৩ লাখ ২৭ হাজার ৬২৩ টাকা। তবে শতভাগ কাজ শেষ করতে ব্যয় হয় এক কোটি ৬১ লাখ ২৬ হাজার ৪২৬ টাকা। ফলে উদ্বৃত্ত এক কোটি ২২ লাখ দুই হাজার ১৫৬ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা সম্ভব হয়।

উল্লেখ্য, গত ১১ মে বিকেলে গাজীখালী নদী সংলগ্ন স্থান থেকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা আনুষ্ঠানিকভাবে এই খনন কাজের উদ্বোধন করেন। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার পর এত বড় পরিমাণের বাজেট বাঁচিয়ে কোষাগারে জমা দেয়ায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতার এই উদ্যোগ স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের মাঝে প্রশংসিত হচ্ছে।

ইউএনও কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম জানান, প্রকল্পটির কাজ পুরোপুরি স্বচ্ছ ও সঠিকভাবে শেষ করায় প্রকৃত ব্যয় দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৬১ লাখ ২৬ হাজার ৪২৬ টাকা। জনগণের আমানত ও সরকারি তহবিলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতেই সাশ্রয় হওয়া অবশিষ্ট টাকা কোষাগারে জমা দেয়া হয়।