বাগেরহাট-৪ সংসদীয় আসনের শরণখোলার আরিফুল ইসলাম মাসুম নামের এক যুবকের শালিস বৈঠকে হার্ট অ্যাটাক বা কার্ডিয়াক ফেলের কারণে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে একটি পক্ষ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। বিভিন্ন ন্যারিটিভ সৃষ্টি করে জনগণ থেকে জামায়াত ইসলামকে আলাদা করতে চাচ্ছে। তার মৃত্যুর দায় জামায়াতের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। নির্বাচন পরবর্তী ও তার পূর্ব মুহুর্তে জামায়াত ইসলামীর কর্মীদেরকে মারধর বাড়িঘর থেকে বের হতে না দিয়ে আতংক সৃষ্টি করা এবং বিভিন্ন যায়গায় কে বা কারা বিএনপি অফিসে অগ্নিসংযোগ করেছে এসব দায় জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর চাপিয়ে তাদেরকে মিথ্যা মামলা দেয়া হচ্ছে। বাগেরহাট-৪ এর স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম মোরেলগঞ্জে তার কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ১ মার্চ শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের খুড়িয়াখালী গ্রামে একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ওই এলাকার ছেলে আরিফুল ইসলাম মাসুম মারা যায়। পারিবারিক কলহের জের ধরে আফজাল নামের একজনের সাথে ঘটনার দিন মাসুমের সাথে দ্বন্ধের সূত্রপাত হয়। আবার কেউ কেউ বলছে তার বোন নিয়ে অনভিপ্রেত কথা কিংবা একটি ভিডিওর ঘটনা নিয়ে আরিফুল প্রতিপক্ষ আফজালের উপর আক্রমণ করে। পরবর্তীতে যে যার মতো চলে যায়। বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে দলীয় নেতৃবৃন্দ নিয়ে শালিস বৈঠকে মাসুম অসুস্থ হয়ে পড়ে। সেখান থেকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, কার্ডিয়াক অ্যাটাকিং হয়ে মাসুম নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মাসুমের মৃত্যুর সাথে জামায়াত ইসলামীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাছাড়া আফজালকে আমরা জানি না। সে জামায়াতের কোনো পরিচয় বহন করে না কিন্তু ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কে বা কাহারা এসব ঘটনার কলকাঠি নাড়াচ্ছে।
জামায়াতের বিরুদ্ধে একটি দলের নেতিবাচক দৃষ্টি ভঙ্গির অংশ হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করছে তৃতীয় একটি পক্ষ। আমরা দুঃখজনক এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। পাশাপাশি শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংসদ সদস্য বিষয়টি সঠিক তদন্তের মাধ্যম প্রকৃত ঘটনা উন্মোচন করার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।



