জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এনসিপি নেতা সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, এনসিপি নেতা সারজিস আলমকে বহনকারী গাড়ি বহরকে হবিগঞ্জে আসার পথে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ বাধা প্রদান করেছে।
এদিকে এনসিপির শীর্ষ নেতাদের হবিগঞ্জে প্রবেশে বাধা দেয়ার ঘটনায় বুধবার সন্ধা ৬টার দিকে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে হবিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে এনসিপি নেতাকর্মীরা।
এনসিপির বিক্ষোভ মিছিলটি হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনে থেকে শুরু হয়ে বেবী স্ট্যান্ড হয়ে কোর্ট স্টেশনে গিয়ে শেষ হয়।
উত্তেজনার মধ্যে শহরের শায়েস্তানগরস্থ বিএনপির জেলা অফিস, হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোর করেছে পুলিশ।
অপরদিকে, মৌলভীবাজার থেকে একটু একটু করে তারা হবিগঞ্জের পথে এগিয়ে আসছেন। মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিতে আসার পথে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপিসহ শীর্ষ নেতাদের গাড়ি বহরকে প্রথমে শ্রীমঙ্গলে আটকে দেয় পুলিশ।
সারজিস আলম বলতে থাকেন- হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারী করা হয়েছে মৌলভী বাজারে নয়। তখন তাদেরকে আরেকটু অগ্রসর হওয়ার সুযোগ দেয়া হয়। গাড়ি বহর নিয়ে আসা হয় হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার সীমান্তের চা কন্যা খ্যাত শ্রীমঙ্গলের চা- কন্যা মোড়ালের কাছে। সেখানে এনসিপি নেতাদের গাড়ি বহরকে আটকে দেয় পুলিশ। সেখান থেকে গাড়ি বহর নিয়ে আসা হয় হবিগঞ্জ জেলার রশিদপুর চা বাগানের মুছাই পাহাড়ের কাছে। সেখানে বালুর ট্রাক দিয়ে এনসিপি নেতাদের হবিগঞ্জে প্রবেশে বাধা প্রদান করে পুলিশ।
বিএনপি অফিসের সামনে দায়িত্ব পালন করাকালে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল হক জানান, শহরের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। উৎসুক জনতা রাস্তায় ভিড় করছে। সার্বিক দিক বিবেচনায় শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
সার্কিট হাউজের নিরাপত্তায় থাকা সদর থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার ধ্রুবেশ জানান, ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কেউ শহরে মিছিল সমাবেশ করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সে প্রস্তুতি পুলিশের রয়েছে।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি তার ফেইসবুক পেইজে লিখেছেন ‘হবিগঞ্জের পথে ৪র্থ ব্যারিকেডের মুখে এনসিপি নেতৃবৃন্দ’।



