প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ময়মনসিংহ-১০ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

‘নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগের রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হয়েছে। গত ৪ জানুয়ারি ময়মনসিংহ জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আমার স্বতন্ত্র প্রার্থিতায় এক শতাংশ ভোটার তালিকায় গড়মিলের অভিযোগে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল। অবশেষে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে আমি আমার প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছি।’

রফিকুল ইসলাম খান, গফরগাঁও (ময়মনসিংহ)

Location :

Gaffargaon
উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুশফিকুর রহমান
উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুশফিকুর রহমান |নয়া দিগন্ত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: মুশফিকুর রহমান তার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তিনি জেলা দক্ষিণ বিএনপির অন্যতম সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে পঞ্চম দিনের আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।

প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গফরগাঁও পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো: আবু আব্দুল্লাহ আল বাপ্পী।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: মুশফিকুর রহমান গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান সুলতানের একমাত্র ছেলে।

মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে তার আর কোনো বাধা রইল না। তার এ প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় জেলায় এ গুরুত্বপূর্ণ আসনে ভোটের হিসাব-নিকাশ পাল্টে যেতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটার ও বিশ্লেষকরা।

এ খবরে তার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে পৌর শহরের উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি মিষ্টিমুখ করাচ্ছেন নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে মো: মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগের রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হয়েছে। গত ৪ জানুয়ারি ময়মনসিংহ জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আমার স্বতন্ত্র প্রার্থিতায় এক শতাংশ ভোটার তালিকায় গড়মিলের অভিযোগে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল। অবশেষে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে আমি আমার প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি ২০১৪ সালে বিএনপির দলীয় মনোনয়নে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণ করি। কিন্তু ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকার আমার ভোট ডাকাতি করে নেয়। আশা করছি, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে গফরগাঁও উপজেলা, পৌর ও পাগলা থানার এলাকার জনগণের সমর্থন ও রায় আমার পক্ষেই থাকবে। ইনশাআল্লাহ।’