রংপুরে হোমিওপ্যাথিক ঔষধালয় থেকে সংগৃহীত রেকটিফায়েড স্পিরিট (এলকোহল) পানে আরো দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে দুই দিনে মোট চারজনের মৃত্যু হলো।
রংপুর মহানগর পুলিশের হাজিরহাট থানার ওসি আজাদ রহমান জানান, রোববার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নগরীর হাজিরহাট থানার বালারবাজারে এলকোহল পান করে অসুস্থ হন সদর কোতয়ালী থানার শিবের বাজার পশ্চিম হিন্দুপাড়ার মৃত অনিল চন্দ্র রায়ের ছেলে মানিক চন্দ্র রায় (৬০)। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
অন্যদিকে বদরগঞ্জ থানার ওসি সরকার জাহিদ সরকার জানান, শনিবার (১১ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে বদরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুরহাট এলাকায় চিহ্নিত মাদক কারবারি জয়নুল আবেদীনের বাড়িতে রেকটিফায়েড স্পিরিট পান করেন বেশ কয়েকজন। এতে অসুস্থ হয়ে এখন পর্যন্ত মারা যান তিনজন। এরমধ্যে ঘটনাস্থলেই মারা যান গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন (৪০), পূর্ব শিবপুর গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহেল মিয়া (৩০) এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সদর উপজেলার সাহাপুর গ্রামের জেন্নাদ আলি (৩৫)।
ওসি আরো জানান, আরো বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে গোপনে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এসময় মাদক কারবারি জয়নাল আবেদীনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় বদরগঞ্জ ও হাজিরহাট থানায় দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ১০ বোতল রেকটিফায়েড স্পিরিটের বোতল।
ওসি আরো জানান, ‘স্থানীয় একশ্রেণির হোমিওপ্যাথিক চেম্বার থেকে ওষুধগুলো সংগ্রহ করে থাকেন মাদক কারবারিরা। নগরীর একটি হোমিও চেম্বারে অভিযানও চালিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। আমরা বেশকিছু তথ্য পেয়েছি। এ নিয়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’



