চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার মুক্তারপুর গ্রামে জমিজমা ও প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে শহিদুল ইসলাম ঢালি (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আরো ২ নারী আহত হয়েছেন। পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দিবাগত রাত ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এর আগে দিনের বেলা এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত শহিদুল ওই গ্রামের মাঝেরপাড়ার বাসিন্দা ও মওলা বক্স ঢালীর ছেলে। তিনি পেশায় বাবুর্চি ছিলেন এবং দুই ছেলে ও এক মেয়ের বাবা।
সূত্র জানায়, গুরুতর আহত অবস্থায় শহিদুলকে প্রথমে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল হয়ে তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শহিদুল ইসলামের ছোট ভাই শাহিন ইসলাম ঢালী নিজ জমিতে প্রাচীর নির্মাণ করছিলেন। এ সময় চাচাতো ভাইদের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। প্রতিপক্ষের লোকজন প্রাচীর ভেঙে দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বিষয়টি মীমাংসার জন্য শহিদুল ঘটনাস্থলে গেলে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে লাঠিসোটা নিয়ে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান। এ ঘটনায় শিল্পি খাতুন ও আরবী খাতুন নামের আরো দুইজন আহত হন। তারা বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
থানার পরিদর্শক (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনা ঘটে এবং এতে শহিদুল গুরুতর আহত হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পূর্বেই একটি মামলা করা হয়েছিল এবং পুলিশ অভিযুক্ত দুইজনকে আটক করেছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



