বিনার জাত দক্ষিণাঞ্চলের শস্যবিন্যাসে অন্তর্ভুক্তিকরণ বিষয়ক কর্মশালা

দক্ষিণাঞ্চল উপযোগী বিনা উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল জাত এবং প্রযুক্তি সম্প্রসারণ ও বিদ্যমান শস্যবিন্যাসে অন্তর্ভুক্তিকরণে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা রোববার (১৯ জুলাই) বরিশালের রহমতপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আযাদ আলাউদ্দীন, বরিশাল ব্যুরো

Location :

Barisal Sadar
বিনার জাত দক্ষিণাঞ্চলের শস্যবিন্যাসে অন্তর্ভুক্তিকরণ বিষয়ক কর্মশালা
বিনার জাত দক্ষিণাঞ্চলের শস্যবিন্যাসে অন্তর্ভুক্তিকরণ বিষয়ক কর্মশালা |নয়া দিগন্ত

দক্ষিণাঞ্চল উপযোগী বিনা উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল জাত এবং প্রযুক্তি সম্প্রসারণ ও বিদ্যমান শস্যবিন্যাসে অন্তর্ভুক্তিকরণে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা রোববার (১৯ জুলাই) বরিশালের রহমতপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) উদ্যোগে এর নিজস্ব হলরুমে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিনার মহাপরিচালক ড. শরিফুল হক ভূঞা।

বরিশাল অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো: রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিনার প্রশাসন ও সাপোর্ট সার্ভিসের পরিচালক ড. মো: লুৎফর রহমান মোল্যা, বরিশালের কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ কিশোর কুমার মজুমদার, বায়োটেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. রেজা মোহাম্মদ ইমন এবং উপপ্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ আশিকুর রহমান।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো: মাহবুবুল আলম তরফদার।

বিনার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুনের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক (বীজ বিপণন) মো: আসাদুজ্জামান, ডিএই ভোলার উপপরিচালক মো: খায়রুল আলম মল্লিক, সহকারী আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিসার এস এম বদরুল আলম, ডিএই বরিশালের উপপরিচালক মোসাম্মৎ মরিয়ম, হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো: অলিউল রহমান, কৃষি বিপণন অধিদফতরের উপপরিচালক এস এম মাহবুব আলম, মুলাদীর উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মনির হোসেন, ভোলা সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার মো: কামরুল হাসান প্রমুখ।

কর্মশালায় কৃষি সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৮০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ‘বিনা হতে এ পর্যন্ত ফসলের ১৩৯টি উন্নত জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের জন্য উপযোগী জাতও রয়েছে যথেষ্ট। এ রকম অনেক জাত আছে, যা অল্প সময়ে ফলন দেয়। এগুলো যদি এ অঞ্চলের মাঠে ছড়িয়ে দেয়া যায়, তাহলে দক্ষিণাঞ্চলের শস্যনিবিড়তা অবশ্যই বাড়বে। পাশাপাশি কৃষকরাও অনেক লাভবান হবেন।’