ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।
সোমবার দুপুরে উপজেলার বগুড়া ইউনিয়নের বারইহুদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, এলাকায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বগুড়া ইউনিয়নের জামিরুল ইসলাম ও রাকিবুল হাসান খান দিপুর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ বারইহুদা গ্রামে এসে জামিরুলের দলীয় মাতব্বর নাসির মেম্বারকে আটক করতে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশকে বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ ও বিক্ষুব্ধ জনতার মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে হাটফাজিলপুর ক্যাম্পের পুলিশ সদস্য সোহেল রানা, বারইহুদা গ্রামের কবির, আকলিমা খাতুনসহ উভয় পক্ষের সাতজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শৈলকুপা ও ঝিনাইদহ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বগুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামিরুল ইসলাম জানান, বারইহুদা গ্রামের আমার সমর্থকের ওপর সকালে অতর্কিত হামলা চালায় দিপুর লোকজন। পুলিশ তাদের আটক না করে আমার লোকজনকে উল্টো ধরতে গেলে পুলিশের সাথে গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও বগুড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রাকিবুল হাসান খান দিপু জানান, আমি কোনো দলাদলির ভেতরে নেই। যারা সংঘর্ষে লিপ্ত ও পুলিশের ওপর হামলা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করি।
শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি, তদন্ত) শাকিল আহমেদ জানান, বারইহুদা গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।



