রাজাপুরে ভবন নির্মাণে সরকারি খালের জায়গা দখলের অভিযোগ

রাজাপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: শামীম রেজা সজিব বলেন, ‘শীঘ্রই সার্ভেয়ার দিয়ে জায়গাটি পরিমাপ করা হবে। সরকারি খালের জমির মধ্যে চলে আসার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

Location :

Jhalokati
নির্মাণাধীন ভবনটি সম্প্রসারণ করে সরকারি খালের জায়গা দখলের অভিযোগ ওঠেছে
নির্মাণাধীন ভবনটি সম্প্রসারণ করে সরকারি খালের জায়গা দখলের অভিযোগ ওঠেছে |নয়া দিগন্ত

ঝালকাঠির রাজাপুরে সরকারি খালের জায়গা দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ ওঠেছে। একাধিকবার নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেয়া হলেও তা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার (১৮ আগস্ট) উপজেলা সদরের কাঁচাবাজার-সংলগ্ন ব্রিজের উত্তর পাশে ভবন নির্মাণ এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়।

মঠবাড়ি ইউনিয়নের মরহুম মুজাফফর হাওলাদারের ছেলে মো: আবুল কালাম আজাদ ওই ভবন নির্মাণ করছেন বলে জানা যায়। তিনি বর্তমানে বাগড়ি মৃধা বাড়ি এলাকায় বসবাস করছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবন নির্মাণের সময় প্রশাসন জমি পরিমাপ করে ভবনের দক্ষিণ পাশের একটি অংশ সরকারি জায়গায় পড়েছে বলে চিহ্নিত করে। পরে ওই অংশের ব্যালকনি কেটে ফেলা এবং সরকারি জায়গা ছেড়ে দিতে ছাদ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়।

তবে, পরবর্তী সময়ে আবারো সরকারি খালের জায়গায় ব্যালকনি সম্প্রসারণ, মেঝে ঢালাই, ব্রিজের সাথে সিঁড়ি নির্মাণ ও বেড়া দেয়ার অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি কেটে দেয়া ব্যালকনির রড রাতের আঁধারে ওয়েল্ডিং করে জোড়া লাগিয়ে পুনরায় ঢালাই করা হয়েছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় বাসিন্দা মো: শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিত।’

তবে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমি যে পরিমাণ জায়গা কিনেছি, তার চেয়েও কম জায়গা ভোগদখলে আছি। চলাচলের জন্য সরকারি জায়গায় ইট সলিং করেছি এবং ওঠানামার জন্য সিঁড়ি দিয়েছি।’

রাজাপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: শামীম রেজা সজিব বলেন, ‘শীঘ্রই সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে জায়গাটি পরিমাপ করা হবে। সরকারি খালের জমির মধ্যে চলে আসার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’