তজুমদ্দিনে ঝড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ অন্ধকার হয়ে কালবৈশাখীর ঝড় শুরু হলে আমরা বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে দেই। ঝড়ের সময় বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষার্থী উপস্থিত না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হেলাল উদ্দিন লিটন, তজুমদ্দিন (ভোলা)

Location :

Bhola
তজুমদ্দিনে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল ঘর
তজুমদ্দিনে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল ঘর |নয়া দিগন্ত

ভোলার তজুমদ্দিনে কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে (২৮ এপ্রিল) বজ্রবৃষ্টির সাথে প্রবল ঝড়ো হাওয়ায় বিদ্যালয়ের টিনের ছাউনি উড়ে গিয়ে শ্রেণী কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিচ্ছিন্ন চর জহিরউদ্দিনে অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ অন্ধকার হয়ে কালবৈশাখীর ঝড় শুরু হলে আমরা বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে দেই। ঝড়ের সময় বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষার্থী উপস্থিত না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষাকার্যক্রম চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।এ বিষয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি সহায়তা কামনা করেছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: রিয়াজ আলম নয়া দিগন্তকে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলের ছবি দিয়ে জরুরি বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই দ্রুত ক্ষতিগ্রস্থ স্কুলের ঘর মেরামত করে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।