গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার আলোচিত ক্লুলেস স্বর্ণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ।
চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত দুই আসামিকে গ্রেফতারের পর তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
গ্রেফতার আসামিরা হলেন—টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ঘরজয়না এলাকার নাছির উদ্দিন (৩২) এবং মধুপুর উপজেলার জলছত্র এলাকার সুজন মিয়া (২৭)।
পুলিশ জানায়, গত ২৩ আগস্ট গভীর রাতে গাছা এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ২৪ আগস্ট গাছা থানায় একটি মামলা (মামলা নম্বর-৩৮) দায়ের করা হয়।
ঘটনার পর তদন্তে নামে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ (দক্ষিণ) বিভাগের একাধিক চৌকস টিম। তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো: আব্দুল আউয়াল সরদারসহ আভিযানিক দল গোপন সংবাদ ও বিভিন্ন সূত্র ধরে গত ৬ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও মধুপুর এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে নাছির ও সুজনকে গ্রেফতার করে।
পরবর্তীকালে গ্রেফতারদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে ১৭টি পাথরসহ রূপার আংটি, ১ জোড়া রূপার কানের টপ, ২ জোড়া ইমিটেশনের বালা, ২ পিস ইমিটেশনের হার এবং ১টি রেডমি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে তারা স্বেচ্ছায় হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। এর মাধ্যমে আলোচিত এই ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের বিশদ রহস্য উন্মোচিত হলো বলে নিশ্চিত করেছেন জিএমপি অপরাধ (দক্ষিণ) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এস. এম. শফিকুল ইসলাম।



