কুড়িগ্রামে মঙ্গলবার কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে গাছপালা, ঘরবাড়ি ও বোরোধানের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। গত কয়েক দিন থেকে জেলার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ও থেমে থেমে বৃষ্টি চলছে।
গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাতে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় প্রচন্ড বাতাস ও ঝড় বয়ে যায়। ঝড়ের কবলে পড়ে জেলার ৯টি উপজেলার প্রায় প্রত্যেকটি গ্রামে বড় বড় গাছ ও চরাঞ্চলের অনেক ঘর বাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে পড়ে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠাল বাড়ি ইউনিয়নের শিবরাম গ্রামের আব্দুস সালাম, খোকন আলী বলেন, গত রাতের হুরকা তুফানে আমাদের গ্রামের অনেক গাছ পালা,ঘরবাড়ি ও বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
অন্যদিকে হলোখানা ইউনিয়নের চর সারোডোব এলাকার ইসমাইল হোসেন বলেন রাইতে হঠাৎ ঝড় তুফানে মোর বাড়ির ৩টি ঘরের টিনের চাল ভেঙ্গে যায়। বর্তমানে টাকা-পয়সা হাতে নাই কি দিয়ে ঘর ভালো করবো, বউ বাচ্চা নিয়ে কেমন করি থাকব।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, বর্তমান মৌসুমে কালবৈশাখী ঝড়সহ মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টা পরে চলমান পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা বেনজীর রহমান জানান, বেশি দুর্যোগপূর্ণ উপজেলা চিলমারী, রৌমারী রাজিবপুরে আগাম বরাদ্দ দেয়া আছে। অন্য ছয়টি উপজেলার তালিকা শেষে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে।



