রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের আবাসন সঙ্কট সমাধানে আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্পের (ডিপিপি) প্রস্তাব অনুমোদন করেছে রিজেন্ট বোর্ড। একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি বিভাগের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে অনুষ্ঠিত রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) রিজেন্ট বোর্ডের ১১তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রাবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) ও রিজেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো: আতিয়ার রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
জনসংযোগ বিভাগ জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের আবাসন সঙ্কট নিরসনে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যরা প্রকল্পটির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে একমত হন। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সঙ্কট সমাধানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চারটি বিভাগের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের অনুমোদন দেয়া হয়। বিভাগগুলো হলো— কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই), ম্যানেজমেন্ট, ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ও ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি।
সভায় আরো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। রিজেন্ট বোর্ডের ৯ম ও ১০ম সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন করা হয়। শিক্ষক নিয়োগ, ড্রাইভার (হালকা) পদে নিয়োগ ও আপগ্রেডেশন সংক্রান্ত সুপারিশমালা অনুমোদন করা হয়। ১১-১৬তম ও ১৬-২০তম গ্রেডের বকেয়া (এরিয়ার) সংক্রান্ত বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
রাবিপ্রবি জনসংযোগ শাখা সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব, বদলি ও পদায়ন সংক্রান্ত বিষয়ও সভায় অবহিত করা হয়। কিছু শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা সংক্রান্ত বিষয় রিজেন্ট বোর্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
সভায় রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য হিসেবে স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চুয়েটের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিসিএসআইআর, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
সভায় ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বড় ধরনের সুবিধা সৃষ্টি হবে এবং অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে।



