ঈশ্বরদীতে সিএনজি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে খালা-ভাগ্নে নিহত

নাটোরের লালপুর থেকে দাওয়াত শেষে তার মা শিরিনা বেগম প্রান্তের খালাত ভাই শাকিবের মোটরসাইকেলে বাড়িতে ফিরছিলেন। ঘটনাস্থলে ঈশ্বরদী থেকে লালপুরের দিকে যাওয়া একটি দ্রুতগতির সিএনজিচালিত অটোরিকশার সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী শিরিনা ও শাকিল মারাত্মকভাবে আহত হন।

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা

Location :

Ishwardi
ঈশ্বরদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় খালা-ভাগ্নে নিহত
ঈশ্বরদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় খালা-ভাগ্নে নিহত |নয়া দিগন্ত গ্রাফিক্স

পাবনার ঈশ্বরদীতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে খালা-ভাগ্নে নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ঈশ্বরদী-রাজশাহী মহাসড়কের ঈশ্বরদী সরকারি সাঁড়া মাড়োয়ারী স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন হাজীর মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন— ঈশ্বরদী শহরের পিয়ারপুর এলাকার রফিকুল ইসলামের স্ত্রী শিরিনা বেগম (৪৫) ও সাঁড়া ইউনিয়নের ঝাঁউদিয়া এলাকার মরহুম আনোয়ার হোসেনের ছেলে শাকিব হোসেন (২২)। নিহতরা সম্পর্কে খালা-ভাগ্নে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত শিরিনা বেগমের ছেলে প্রান্তর জানান, নাটোরের লালপুর থেকে দাওয়াত শেষে তার মা শিরিনা বেগম প্রান্তের খালাত ভাই শাকিবের মোটরসাইকেলে বাড়িতে ফিরছিলেন। ঘটনাস্থলে ঈশ্বরদী থেকে লালপুরের দিকে যাওয়া একটি দ্রুতগতির সিএনজিচালিত অটোরিকশার সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী শিরিনা ও শাকিল মারাত্মকভাবে আহত হন। পরে স্থানীয় জনসাধারণ ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস ইউনিট তাদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। তবে ঘটনার পর গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যান চালক।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত ডাক্তার শাকিল জানান, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা আহত দু’জনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।

ঈশ্বরদী থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো: জামাল উদ্দিন জানান, নিহতদের স্বজনদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন। সিএনজিসহ চালক পলাতক। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোমিনুজ্জামান জানান, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।