বর্ণাঢ্য আয়োজনে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ (ইউএফটিবি)-এর দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (ইউএফটিবি দিবস) ও নবীন বরণ-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। এ সময় জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, কেক কাটা এবং পায়রা উড়ানোর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ আতাউর রহমান খান, প্রক্টর, পরিচালক (শিক্ষার্থী কল্যাণ), বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে অ্যাকাডেমিক ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন অনুষদের ৩১ জন শিক্ষার্থীকে মাস্টার্স থিসিস গবেষণা সম্মাননা, ১১ জন শিক্ষককে ‘রিসার্চ পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ ও ৩০ জন শিক্ষার্থীকে ডিনস সম্মাননা বৃত্তি প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ও সনদ তুলে দেন।
উদ্বোধনী পর্ব শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়। পরে ভিসির সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ আতাউর রহমান খান। এতে নবাগত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের প্রতিনিধি, প্রক্টর, পরিচালক (শিক্ষার্থী কল্যাণ) ও দুই আবাসিক হলের প্রভোস্ট বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন উচ্চশিক্ষায় গুণগত মান, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘যুগোপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও শিল্পখাতের সাথে আরো কার্যকর সংযোগ গড়ে তুলতে হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বলেন, ‘বর্তমান সময়ে শুধু ভালো ফলাফল অর্জন করলেই হবে না। কর্মক্ষেত্রে সফল হতে হলে হাতে-কলমে শিক্ষা ও বাস্তব দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী দক্ষতা বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাচ্ছে।’
দুপুরে মধ্যাহ্নভোজের পর বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক প্রাঙ্গণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা সঙ্গীত, নৃত্য ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।



