মাওলানা আবুল কালাম আজাদ

দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে কয়রাকে পৌরসভা করা হবে

‘এটি এখন আর বিলাসিতা নয়, সময়ের দাবি। পৌরসভা বাস্তবায়িত হলে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, মানসম্মত স্যানিটেশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সুপেয় পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’ পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে কয়রাকে একটি মডেল জনপদে পরিণত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

কয়রা (খুলনা) সংবাদদাতা

Location :

Khulna
বক্তব্য রাখছেন খুলনা-৬ আসনের ১১ দলীয় প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
বক্তব্য রাখছেন খুলনা-৬ আসনের ১১ দলীয় প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ |নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, ‘দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে অবহেলিত উপকূলীয় জনপদ কয়রা উপজেলাকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’

তিনি বলেন, ‘কয়রাকে পৌরসভা ঘোষণার দাবি এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবং তা বাস্তবায়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হবে।’

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকালে কয়রা সদর ইউনিয়নের মদিনাবাদ দাখিল মাদরাসা মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘কয়রার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে আধুনিক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কয়রাকে পৌরসভায় রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়া হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এটি এখন আর বিলাসিতা নয়, সময়ের দাবি। পৌরসভা বাস্তবায়িত হলে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, মানসম্মত স্যানিটেশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সুপেয় পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’ পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে কয়রাকে একটি মডেল জনপদে পরিণত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

কয়রা সদর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির জি এম মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মোল্লা নুরুজ্জামানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান।

এছাড়া আরো বক্তব্য দেন খুলনা জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কয়রা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, নায়েবে আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা শেখ সাইফুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজাউদ্দীন আহমেদ, কর্মপরিষদ সদস্য হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি মোল্লা শাহাবুদ্দীন শিহাব, সোনাডাঙ্গা থানা আমির শহিদুল্লাহ, ইসলামী ছাত্রশিবির খুলনা জেলা দক্ষিণের সভাপতি আবু জার গিফারী, কয়রা উপজেলা সভাপতি মাজহারুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সহ-সভাপতি হালিমুল হক, যুব বিভাগের সভাপতি হাফেজ জাহিদুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আসিফ জামিল শাহাদ ও ইয়াসিন আলী।