গণতান্ত্রিক নবযাত্রার শুভ সূচনায় জাবিতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার পাদদেশে শতাধিক শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীর উপস্থিতিতে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

আতাউর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

Location :

Savar
সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত
সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত |নয়া দিগন্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক নবযাত্রার শুভ সূচনা উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার পাদদেশে শতাধিক শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীর উপস্থিতিতে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক শামীমা সুলতানা বলেন, ‘এই আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে একত্রিত করা এবং নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রার অংশীদার করা।’

তিনি বলেন, ‘একটি সুন্দর, নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা থেকেই আমরা জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেছি। রাষ্ট্র যেন সবার হয় এবং সমতা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এটাই আমাদের আহ্বান।’

ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় দেশের গণতান্ত্রিক সংকট ও দুঃসময়ে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের এই সময়ে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধের ১৯৭১ সালের বীর শহীদদের এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশকে ন্যায়ের পথে এগিয়ে নিতে যারা জীবন দিয়েছেন বা চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।’

তিনি আরো বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার আমরা জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পুনর্ব্যক্ত করেছি। সংসদে দেশের স্বার্থকে ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখার যে শপথ নেয়া হয়েছে, তা যেন অটুট থাকে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। প্রবীণ ও নবীনের সম্মিলিত প্রয়াসেই ১৯৭১ সালের স্বপ্নের বাংলাদেশ বাস্তবায়িত হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।