জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ একই তফসিলের অধীনে একইসাথে জাতীয় সংসদ এবং ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের রায় দিয়েছিল। জনরায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১১ দলের ৭৭ জন প্রতিনিধি দুটি শপথ নিলেও, বিএনপি গণভোটের রায় প্রত্যাখ্যান করে সংস্কার পরিষদের শপথ বর্জন করে। এভাবে তারাই দেশে সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। গণভোটের রায় অস্বীকার করে বিএনপি মূলত তাদের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন।
চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে ১১ দলের কেন্দ্র ঘোষিত শনিবার চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লায় বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম মহানগরীর ১১ দলের সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহর সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মজলিস চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ এমদাদুল্লাহ সোহাইল, নগর নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েব আমির মাওলানা মুহাম্মদ জাকারিয়া, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, জাতীয় নাগরিক পার্টির মহানগর যুগ্ম সমন্বয়ক আরিফ মঈনউদ্দীন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির মহানগর সভাপতি আবু মোজাফফর মোহাম্মদ আনাস, খেলাফত আন্দোলন চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি আতিক বিন ওসমান, বাংলাদেশ নেজাম ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মাওলানা মুবিনুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম রব্বানী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের চট্টগ্রাম মহানগরী সেক্রেটারি মাওলানা রিদওয়ানুল হক, আমার বাংলাদেশ (এবি পার্টি) চট্টগ্রাম নগর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আবুল কাসেম, লেবার পার্টির চট্টগ্রাম মহানগরী সিনিয়র সহ সভাপতি মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোস্তফা কামাল প্রমুখ।



