কক্সবাজার জেলার জনগুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল চকরিয়া উপজেলার সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রশাসনিক ঘোষণার দীর্ঘ সময়ের পর ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় বাস্তবায়ন হতে চলছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দশনায় তা বাস্তবায়নে অবকাঠামোগত অবস্থা পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব কাজী শরীফ উদ্দিন।
সোমবার (৪ মে) দুপুরে হাসপাতালের বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শন করেন।
কক্সবাজার জেলার জনবহুল এ চকরিয়া উপজেলা। তার পাশের পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও পাবর্ত্য লামা-আলীকদম উপজেলার কয়েক লাখ অসহায় লোকজন যোগাযোগে সুবিধা থাকায় দ্রুত উন্নত চিকিৎসা সেবার নেয়ার জন্য এ হাসপাতালে চলে আসেন।
এ হাসপাতালে প্রতিদিন বহির বিভাগে ২ থেকে ৩ হাজার রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। এতে পর্যাপ্ত রোগীর সিট ও জনবলের অভাবে মুমূর্ষ রোগীদেরকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব না হওয়ায় অনেকে অন্যত্রে চলে যেতে বাধ্য হয়।
চকরিয়াবাসী দীর্ঘ দিন ধরে দাবি করে আসছিলেন ৫০ শয্যার এ হাসপাতালটিকে ১০০ শযায় উন্নত কারণের জন্য। এ দাবির প্রেক্ষিতে হাসপাতালের অবকাঠামো ও ভবন নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ করা হলেও প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি বলে হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানান।
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশনায় চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবকাঠামোগত অবস্থা পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রাণালের উপ-সচিব কাজী শরীফ উদ্দিন, কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মদ ছাবের, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পপ কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
চকরিয়া হাসপাতালে চলমান হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিদর্শনে উপ-সচিব ও সিভিল সার্জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চলমান সেবা কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন, অল্প সময়ের মধ্যেই চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় ও পেকুয়া উপজেলার সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের প্রশাসনিক কার্যক্রম সহ ১০০ শয্যার প্রশাসনিক অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।



