শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি : বিভাগীয় কমিশনার

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, শব্দদূষণ বর্তমানে একটি নিরব ঘাতকে পরিণত হয়েছে, যা মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সকল দফতরের সমন্বিত উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।

আবদুল কাদের তাপাদার, সিলেট ব্যুরো

Location :

Sylhet
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি |নয়া দিগন্ত

আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে পরিবেশ অধিদফতর, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের আয়োজনে র‍্যালি ও ‘উচ্চ শব্দ : পরিবেশ দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) কমিশনার ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত র‍্যালি শেষে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা হয়।

সভায় পরিবেশ অধিদফতর সিলেটের পরিচালক মো: আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো: মশিউর রহমান এবং প্রধান আলোচক ছিলেন এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের নাক, কান ও গলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. শাহ কামাল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, শব্দদূষণ বর্তমানে একটি নিরব ঘাতকে পরিণত হয়েছে, যা মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সকল দফতরের সমন্বিত উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরো বলেন, আইন প্রয়োগের মাধ্যমে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পরিবহন খাতসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

সভায় বক্তারা শব্দদূষণের বিভিন্ন কারণ, এর ক্ষতিকর প্রভাব এবং প্রতিরোধের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া অন্যদের মধ্যে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদফতর সিলেটের সহকারী পরিচালক মো: আফজারুল ইসলাম।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাখী রানী দাস, বিআরটিএ’র মোটরযান পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম রাসেল, বেলা’র সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শাহ শাহেদা, বাপা’র সাধারণ সম্পাদক কাসমির রেজা, সিলেট জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো: কাওছার আহমেদ, সিলেট অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি গুলজার আহমেদ হেলাল ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমানসহ বিভিন্ন দফতর ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে দক্ষিণ সুরমার গোটাটিকর ও আলমপুর এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পাঁচটি যানবাহনকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ১০টি অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।