এবারের জাতীয় নির্বাচনে নতুন ও পুরাতনদের সমন্বয়ে সূক্ষ্ম ইঞ্জিনিয়ারিং ও কারচুপি হয়েছে। এ অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী ও বায়েজিদ (আংশিক) আসনের ১১দলীয় ঐক্য ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা মার্কা প্রার্থী মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির।
তিনি বলেন, আমাকে হারানোর জন্য আসনের অনেকগুলো কেন্দ্র থেকে অ্যাজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে।
উপজেলার ফরহাদাবাদ ৪ নম্বর, মির্জাপুর ৮ নম্বর, হাটহাজারী পৌরসভা ৬ নম্বর, চিকনদনৃড ১ নম্বর , উত্তর মাদার্শা ৪ নম্বর মাহলুমা কেন্দ্রসহ অনেক কেন্দ্র থেকে আমার অ্যাজেন্টদের বের করে দেয়া হয়।
সকাল বেলা প্রথমে ও বিকাল বেলা সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের জিম্মি করে ব্যাপক জাল ভোট প্রদান করা হয়। এ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় ও পছন্দের প্রিজাইডিং নিয়োগ ও তাদের মাধ্যমে সূক্ষ্ম ইঞ্জিনিয়াররিং ও কারচুপি করা হয়।
বিশেষ করে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মীর মো: হেলাল উদ্দীন হাটহাজারী আসনের অন্তর্ভুক্ত নাজিরহাট ডিগ্রি কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ছিলেন। নির্বাচনের মুহুর্তে তিনি চেয়ার ছেড়ে তার স্ত্রী নওসিন আরজান চৌধুরী হেলালকে ঐ কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেন।
প্রার্থীর প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক- কর্মচারীরা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা অবৈধ হলেও নাজিরহাট কলেজের অনেক শিক্ষক প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেছেন। যা সম্পূর্ণ বেআইনী।
ভোটের আগের দিন, ভোটের দিন আমার ভোটার ও অ্যাজেন্টদেরকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দেয়া হয়। যার ফলে ইচ্চা থাকা সত্বেও অনেক ভোটার ভয়ে ঘর থেকে বের হতে পারেনি।
মির্জাপুর ইউনিয়ন ৮ নম্বর ভোটকেন্দ্র পশ্চিম সিকদারপাড়া ফোরকানিয়া মাদরাসায় কেন্দ্র পরিচালক মো: তারেককে বিএনপির সন্ত্রাসী জব্বারের নেতৃত্বে হামলায় গুরুতর আহত করা হয়েছে, চিকনদন্ডি ইউনিয়নের দরবেশিয়া কেন্দ্রে সন্ত্রাসী সরোয়ার কর্তৃক নজরুল ও ফতেয়াবাদ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় সাবেক ছাত্রলীগ ক্যাডার বর্তমানে ছাত্রদলের বাপ্পি কর্তৃক মারুফকে, নাঙলমোডা ইউনিয়ন ৪ নম্বর ওয়ার্ড়ে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কর্তৃক অ্যাজেন্টদের বেঁধে রেখে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে মহড়া দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ব্যালটে ধানের শীষে সীল মারা হয়।
আপনারা দেখেছেন, পোস্টাল ব্যালটের ফলাফলে নিরপেক্ষতার কারণে আমি বেশি ভোট পেয়েছি। ঠিক কেন্দ্রগুলোতেও যদি নিরপেক্ষতা ও স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় থাকতো তাহলে আমিই বেশি ভোট পেতাম। এখান থেকে বুঝা যায়,আমি পরাজিত হইনি, আমাকে পরিকল্পিতভাবে হারানো হয়েছে।
এসব কারণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী ও বায়েজিদ (আংশিক) আসনের যে ফলাফল বেসরকারীভাবে ঘোষণা করা হয়েছে তা আমি ঘৃণাভরে প্রত্যাক্ষাণ করলাম।



