সিলেটের লোভাছড়া থেকে সবধরনের পাথর স্থানান্তর ও পরিবহন বন্ধ

এদিকে, মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বিএমডি’র সহকারী পরিচালক এজাজুল ইসলাম কানাইঘাটের লোভাছড়া পাথর কোয়ারী পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে লোভাছড়া কোয়ারিতে সবধরনের পাথর হস্তান্তর ও পরিবহন বন্ধের জন্য ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেন তিনি।

এমজেএইচ জামিল, সিলেট ব্যুরো

Location :

Sylhet
লোভাছড়া পাথর কোয়ারির সবধরনের পাথর স্থানান্তর ও পরিবহন বন্ধ
লোভাছড়া পাথর কোয়ারির সবধরনের পাথর স্থানান্তর ও পরিবহন বন্ধ |নয়া দিগন্ত

সিলেটের কানাইঘাট লোভাছড়া পাথর কোয়ারির সবধরনের পাথর স্থানান্তর ও পরিবহন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগ। মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বহাল থাকবে বলেও আদেশ দেয়া হয়।

এদিকে, মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বিএমডি’র সহকারী পরিচালক এজাজুল ইসলাম কানাইঘাটের লোভাছড়া পাথর কোয়ারী পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে লোভাছড়া কোয়ারিতে সবধরনের পাথর হস্তান্তর ও পরিবহন বন্ধের জন্য ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেন তিনি।

এ ব্যাপারে কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার জানান, বাংলাদেশ খনিজসম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো তাকে এক চিঠির মাধ্যমে লোভাছড়া পাথর কোয়ারির সবধরনের পাথর স্থানান্তর ও পরিবহন বন্ধের নির্দেশের বিষয়টি অবহিত করেছে।

এর আগে ২০২০ সালে পরিবেশ অধিদফতর লোভাছড়া পাথর কোয়ারি থেকে ১ কোটি ৪ লাখ ঘনফুট পাথর জব্দ করে। পরে আইনি জটিলতা নিষ্পত্তি হলে ওই জব্দকৃত পাথরের মধ্যে ৪৪ লাখ ঘনফুট খনিজসম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো নিলামের মাধ্যমে ‘পিয়াস এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে। নিলামকৃত পাথর পরিবহনের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে ৪৫ দিন সময় দেয়া হয়। পরে আরো এক মাস সময় বাড়ানো হয়। তখন ওই লিজের নামে হাইকোর্টে চলমান মামলায় জব্দ ৬১ লাখ ঘনফুট পাথর লুট করে নেয় লিজগ্রহীতার লোকজন। সবপাথর পরিবহন শেষ হওয়ায় আর সময় বাড়ায়নি বিএমডি।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পিয়াস এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ও সিলেট মহানগর ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক কামরুল হাসান চৌধুরী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। শুনানি শেষে মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) খনিজসম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট লোভাছড়া পাথর কোয়ারির সবধরনের পাথর স্থানান্তর ও পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

বিএমডির সহকারী পরিচালক এজাজুল ইসলাম মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) লোভাছড়া পাথর কোয়ারি এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে পিয়াস এন্টারপ্রাইজের লোকজনকেও এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানিয়েছেন। এখন কেউ এ আদেশ অমান্য করলে স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।