কৃষি ব্যাংকে রেমিট্যান্স এনে মোটরসাইকেল উপহার পেলেন শিবচরের রাবেয়া

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার মালয়েশিয়া প্রবাসী মো: মোমিনুল শিকদার। তিনি উপজেলার শেখপুর বাজারে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক বাজিতপুর শাখায় স্ত্রী রাবেয়ার অ্যাকাউন্টে ২ লাখ ৫ হাজার টাকা পাঠান। আর তাতেই ভাগ্য খুলে যায় রাবেয়ার।

শিবচর (মাদারীপুর) সংবাদদাতা

Location :

Shibchar
কৃষি ব্যাংকে রেমিট্যান্স এনে মোটরসাইকেল উপহার পেলেন শিবচরের রাবেয়া
কৃষি ব্যাংকে রেমিট্যান্স এনে মোটরসাইকেল উপহার পেলেন শিবচরের রাবেয়া |নয়া দিগন্ত

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার মালয়েশিয়া প্রবাসী মো: মোমিনুল শিকদার। তিনি উপজেলার শেখপুর বাজারে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক বাজিতপুর শাখায় স্ত্রী রাবেয়ার অ্যাকাউন্টে ২ লাখ ৫ হাজার টাকা পাঠান। আর তাতেই ভাগ্য খুলে যায় রাবেয়ার। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের আয়োজিত রেমিট্যান্স উৎসব-২০২৬ লটারিতে মেগা পুরস্কার হিসেবে মোটরসাইকেল উপহার পেয়েছেন মোসা: রাবেয়া।

বুধবার (৬ মে) ১১টার দিকে কৃষি ব্যাংকের বাজিতপুর শাখার উদ্যোগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাবেয়ার হাতে তুলে মোটরসাইকেল তুলে দেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ফরিদপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক বাজিতপুর শাখার ব্যবস্থাপক সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলার মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক কাজী মোহাম্মাদ নজরে মঈন এবং আঞ্চলিক নিরীক্ষা কর্মকর্তা আলাউদ্দিন আহমেদ।

কৃষি ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত ৪০ দিনব্যাপী রেমিট্যান্স উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ের মধ্যে প্রবাসীরা কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে যাদের কাছে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, তাদের লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়। মোট ৪০টি পুরস্কার বিতরণের জন্য বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়। এতে সারা দেশে ১ হাজার ৩৮টি শাখার মধ্যে বাজিতপুর শাখার রাবেয়া প্রথম নির্বাচিত হন।

এ সময় কর্মকর্তারা বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের জন্য কাজ করে কৃষি ব্যাংক। সকলের সার্বিক সহযোগিতায় ব্যাংকটির সেবা আগের চেয়ে অনেক উন্নত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অক্লান্ত পরিশ্রম করে প্রবাসীরা উপার্জিত রেমিট্যান্স দেশে পাঠায়। তাদের উপার্জিত আয়ের কারণেই আমাদের রিজার্ভ বেড়েছে, আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছি।

পুরস্কার পেয়ে রাবেয়া বলেন, আমি কখন কল্পনা করতে পারিনি যে আমার স্বামীর রেমিটেন্সের কারণে এমন একটি উপহার পাব। আমি প্রথম যখন শুনেছি তখন বিশ্বাস করতে পারিনি। পরে অফিসাররা আমাদের বাড়িতে আসলে আমি ও আমার পরিবার অনেক খুশি এ পুরস্কার পেয়ে। ধন্যবাদ কৃষি ব্যাংককে।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার শারমিন আক্তার, অফিসার মো: বিপুল হোসেন, সাজ্জাদ মাহমুদ, ক্যাশ কর্মকর্তা বাসুদেব কুমার দাসসহ ব্যাংকের গ্রাহক, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।