তারেক রহমান সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চান : এস এম জিলানী

‘ইতোমধ্যেই কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়াসহ গোপালগঞ্জ জেলার উন্নয়ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে আমার কথা হয়েছে। গোপালগঞ্জ জেলার জনগণ কোনোকিছু থেকে বঞ্চিত হবে না বলে তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন।’

রনী আহমেদ, কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ)

Location :

Kotalipara
কোটালীপাড়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে মতবিনিময় সভা
কোটালীপাড়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে মতবিনিময় সভা |ছবি : নয়া দিগন্ত

গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া—টুঙ্গিপাড়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, আমাদের সকলের দেশপ্রেমকে কাজে লাগিয়ে দেশনায়ক তারেক রহমান একটি আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চান। তিনি প্রতিদিন সকাল ৯টায় তার দফতরে এসে পৌঁছান। আপনাদের (সরকারি কর্মকর্তা) সেদিকে লক্ষ রেখে কাজ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) কোটালীপাড়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, গোপালগঞ্জের ৩টি আসনই এখন জাতীয়তাবাদী দলের দখলে। এখানে সবকিছুই হবে। এখানের মানুষ উন্নয়নের কোনোকিছু থেকেই বঞ্চিত হবে না। ইতোমধ্যেই কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়াসহ গোপালগঞ্জ জেলার উন্নয়ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে আমার কথা হয়েছে। গোপালগঞ্জ জেলার জনগণ কোনোকিছু থেকে বঞ্চিত হবে না বলে তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন।

কোটালীপাড়ার উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে এস এম জিলানী বলেন, আমি এ এলাকার উন্নয়নের জন্য স্থানীয় সরকার ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে গিয়েছি। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে কোটালীপাড়া উপজেলার ৬০০ কিলোমিটার খাল খননের কাজ বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। যে খননগুলো আগামী জুন মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে। আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই। আপনাদের সহযোগিতা পেলে এই উপজেলাকে আমি উন্নয়নের একটি রোল মডেল হিসেবে দাঁড় করাবো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাগুফতা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তাগণ বক্তব্য রাখেন।

মতবিনিময় সভা শেষে সংসদ সদস্য এস এম জিলানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কুমার মৃদুল দাসের সাথে কথা বলে চিকিৎসক, কর্মকর্তা, কর্মচারীর পদ শূন্যসহ নানা সমস্যার কথা শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। এরপর তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে রোগীদের সাথে কথা বলেন।