ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার শেষ দিনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পৃথক স্থানে বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী আব্দুল আল ফারুক চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এবং বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনালে শেষ নির্বাচনী জনসমাবেশ করেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এসব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনালে বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত বিএনপির শেষ নির্বাচনী জনসভায় সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আল্লাহ আমাকে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বেছে নিয়েছেন। আমরা এমন একটি রাষ্ট্র গড়তে চাই, যেখানে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষকে আর রক্ত দিতে না হয়।” জনসভায় বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
অন্যদিকে, বিকাল ৫টার দিকে চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল আল ফারুকের শেষ নির্বাচনী ঐতিহাসিক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
জনসভায় তিনি বলেন, “এ দেশের ছাত্র-জনতা একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য রক্ত দিয়েছে। সব মার্কা দেখেছি বারবার, দাঁড়িপাল্লা এইবার।” তিনি ভোটারদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে একই দিন সকালে এক নারী সমাবেশে আব্দুল আল ফারুক বলেন, চকরিয়া–পেকুয়া এলাকায় অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় অপসারিত ২১ জন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে পুনর্বহাল করা হবে। পাশাপাশি নারী সমাজের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, জামায়াতে ইসলামী তথা ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট নির্বাচিত হলে কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় হয়রানি, দখলদারি ও চাঁদাবাজি করতে দেয়া হবে না। জনসভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।



