চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে ১০ দলীয় জোটের নির্বাচনী সমাবেশে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী শিক্ষা ও পর্যটন খাতে ব্যাপক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তিনি বলেন, এই আসনে দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে আনোয়ারা-কর্ণফুলীতে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনসহ পরিকল্পিতভাবে শিক্ষা ও পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকাকে কেন্দ্র করে আধুনিক পর্যটন জোন গড়ে তোলা হলে আনোয়ারার পর্যটন খাত নতুন দিগন্তে পৌঁছাবে। এতে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান বাড়বে এবং পর্যটনের জন্য আর কক্সবাজারের ওপর নির্ভর করতে হবে না।
সমাবেশে তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, যদি একটি সম্প্রীতিময়, অসাম্প্রদায়িক ও চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ চান, তাহলে আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তিনি এই এলাকার উন্নয়ন বাস্তবায়নে কাজ করবেন বলেও আশ্বাস দেন।
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে মাহমুদুল হাসান চৌধুরী বলেন, বিভাজনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে গণতান্ত্রিক আচরণ করতে হবে। হুমকি ও ধমকির রাজনীতি জনগণ মেনে নেয় না। অতীতে যারা এমন রাজনীতি করেছে, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে কর্ণফুলী টানেল চত্বরে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনী সমাবেশে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
নেজামে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মাওলানা জিয়াউল হুসেইন জিয়ার সভাপতিত্বে এবং আনোয়ারা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মুহাম্মদ আবুল হাছান খোকা ও কর্ণফুলী জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি নুর উদ্দিন জাহাঙ্গীরের যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ইসমাইল হক্কানি, খেলাফত মজলিসের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুফতি ইমরান ইসলামাবাদী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জোবায়ের আলম মানিক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়জুল আজিম চৌধুরী, কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাস্টার মনির আবছার চৌধুরী, আনোয়ারার সাবেক আমির মাস্টার মনসুর আলী ও এলডিপির আনোয়ারা উপজেলা সভাপতি হাবিবুর রহমান চৌধুরীসহ নেতৃবৃন্দ।



