দেশের অত্যন্ত ব্যস্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এবার স্বস্তির ঈদ যাত্রা লক্ষ্য করা গেছে। সড়কের মিরসরাই উপজেলার ধুমঘাট থেকে সীতাকুণ্ডের সিটি গেইট পর্যন্ত কোনো যানজট দেখা যায়নি। ঈদুল আজহায় ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়লেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো যানজট হয়নি ও ঘটেনি কোনো দুর্ঘটনা। মহাসড়কে থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ এর কঠোর অবস্থানের কারণে এখন পর্যন্ত ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি যাত্রীদের।
সরেজেমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কের মিরসরাই-সীতাকুণ্ডের ৬০ কিলোমিটারে সড়কের উপর বা ঘেঁসে পশুর হাট না বসায় যানজট দেখা যায়নি।
আজ শুক্রবারের তুলনায় গতকাল বৃহস্পতিবার গাড়ির চাপ খুব বেশি ছিল। আজও দূরপাল্লার ও অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচল করা গণপরিবহন চোখে পড়েছে। এছাড়া বারইয়ারহাট-সীতাকুণ্ড রুটে চলাচল করা লেগুনা চলতে দেখা গেছে। এছাড়া প্রাইভেটকার, নোহা, হাইস, পিকআপ চলতে দেখা গেছে।
মিরসরাই থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এবার ঈদে যাত্রীদের বিড়ম্বনা ও ছিনতাইয়ের উৎপাত কমাতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই অংশের কয়েকটি স্থানকে চিহিৃত করে পুলিশ রাত-দিন ডিউটি করছে।
মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের দামপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বেসরকারি চাকরিজীবি সাইফুল ইসলাম বলেন, মাত্র ১ ঘণ্টায় একেখান থেকে কমলদহ এলাকায় এসে নামলাম। মহাসড়কে প্রচুর গাড়ি চলাচল করছে। কিন্তু তেমন যানজট চোখে পড়েনি।
হাইওয়ে পুলিশের জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মহাসড়কে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটলে যানজট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। প্রত্যেকটি পয়েন্টে আমাদের পুলিশ অবস্থান করছে। যানজট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ শুরু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, মহাসড়কের আমার থানার আওতাধীন এলাকায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাত-দিন পুলিশ ডিউটি করছে। গত এক মাস যাবৎ আমি রাতে এক মিনিটের জন্য ঘুমাইনি। সারা রাত মহাসড়কে টহলে ছিলাম।



