দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজীবন গণতন্ত্রের আপসহীন পতাকাবাহী হয়েছেন। সেই জনপদেই শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন নবনিযুক্ত সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর কবরস্থানে পৌঁছে মন্ত্রী জাহিদ হোসেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মরহুম বাবা এস্কান্দার মজুমদার, মা তৈয়বা মজুমদার ও বড় বোন সাবেক মন্ত্রী খুরশীদ জাহান হকের কবর জিয়ারত করেন।
কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ডা: জাহিদ হোসেন বলেন, ‘মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর আমি প্রথম সুযোগেই এখানে ছুটে এসেছি। আপনারা জানেন, গণতন্ত্রের জন্য যে মানুষটি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন, যিনি কখনো কোনো ষড়যন্ত্রের কাছে মাথা নত করেননি কিংবা কোনো অপশক্তির সাথে আপস করেননি, সেই দেশনেত্রীর জন্মদাত্রী মায়ের কবর জিয়ারত করা আমার জন্য পরম সৌভাগ্যের।’
তিনি আরো বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শ্বশুর-শাশুড়ি এখানে শায়িত আছেন। পাশাপাশি দিনাজপুরের উন্নয়নের কাণ্ডারি বেগম খুরশীদ জাহান হকের স্মৃতিও এই মাটির সাথে মিশে আছে। আল্লাহ যেন তাদের সবাইকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।’
এ অঞ্চলের মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘উত্তরাঞ্চলের এই পিছিয়ে পড়া জনপদ নিয়ে আমাদের বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। এখানকার জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা বিলিয়ে দেবো। আগামীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিনাজপুর সফরকে কেন্দ্র করে পুরো কবরস্থান এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে, চলছে রঙের কাজ।’
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে সার ও বিদ্যুতের কিছুটা সঙ্কট চলছে এটি সত্য। তবে কৃষকের সার ও সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে আমাদের সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। খুব শিগগিরই দেশের মানুষ এই সঙ্কট থেকে মুক্তি পাবে, ইনশাআল্লাহ।’
কবর জিয়ারত শেষে ডা: জাহিদ হোসেন এক বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় তার সাথে জেলা বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তিনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।



