কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ী জেলায় বিজিবির টহল কার্যক্রম শুরু

নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ১০টি অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ ২২টি স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। আজ থেকে চেকপোস্টগুলোতে বিজিবির বিশেষায়িত ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিয়মিত টহলের মাধ্যমে রেকি কার্যক্রম ও এপিসি গাড়ি ব্যবহার করে বিশেষ টহল জোরদার করা হয়েছে।

আ ফ ম নুরুল কাদের, কুষ্টিয়া

Location :

Kushtia
বিজিবির ডগ স্কোয়াডের তৎপরতা, (নিচে) এপিসি (সাজোয়া) গাড়ির টহল
বিজিবির ডগ স্কোয়াডের তৎপরতা, (নিচে) এপিসি (সাজোয়া) গাড়ির টহল |নয়া দিগন্ত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিজিবি-৪৭ ব্যাটালিয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরের পর থেকে কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ী জেলায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে কুষ্টিয়ার মিরপুর বিজিবির ব্যাটালিয়ন হেড কোয়ার্টার থেকে বের হতে শুরু করে।

এ দুই জেলায় মোট ১১টি উপজেলা রয়েছে, যেখানে ৬টি সংসদীয় আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিজিবি-৪৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে সীমান্তবর্তী দৌলতপুর উপজেলায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণসহ একাধিক বিজিবি প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ি জেলার পুরো নির্বাচনী এলাকায় ১৪ দশমিক ৫ প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করছে।

তিনি আরো জানান, নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ১০টি অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ ২২টি স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। আজ থেকে চেকপোস্টগুলোতে বিজিবির বিশেষায়িত ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিয়মিত টহলের মাধ্যমে রেকি কার্যক্রম ও এপিসি গাড়ি ব্যবহার করে বিশেষ টহল জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরের পর থেকে কুষ্টিয়া শহর, শহরতলী ও পল্লী এলাকার সড়কগুলোতে বিজিবির টহল লক্ষ্য করা গেছে। বিজিবির নতুন এপিসি (সাজোয়া) গাড়িগুলো টহলে যুক্ত হওয়ায় মানুষজনের মাঝে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, কুষ্টিয়ার চারটি নির্বাচনী এলাকায় এখন পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কোনো রকমের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।