ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ডাকাতির ঘটনায় মামলা রুজুর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনজন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় ভাঙ্গা থানা পুলিশ।
এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি পিকআপ, একটি গরু, জবাই গরুর গোশত এবং নগদ দেড় লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
ফরিদপুর জেলার পুলিশ সুপার মো: নজরুল ইসলামের (পিপিএম-সেবা) নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো: রেজওয়ান দীপুর তত্ত্বাবধানে ভাঙ্গা থানা পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ভাঙ্গা থানার তদন্তে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আব্দুল আলীমের নেতৃত্বে এসআই মোশারফ হোসেনসহ পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৫ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকা থেকে দুই ডাকাতকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন- মো: ফারুক হোসেন (৩৮) ও মো: শাহিন মাতুব্বর (২৭)।
গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরদিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর জুরাইন এলাকা থেকে ডাকাতি করা গরুর ক্রেতা মো: মোবারক হোসেনকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ আরো জানায়, আসামিদের দেয়া তথ্যমতে অভিযান চালিয়ে ছিনতাই হওয়া দুটি মাহিন্দ্রা পিকআপ, একটি জীবিত কালো রঙের গরু, ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষিত প্রায় ২৫ কেজি গরুর গোশত এবং গরু বিক্রির নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার মালামাল আইনগত প্রক্রিয়ায় জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা ভাঙ্গা থানাধীন প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সামনে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে বলে স্বীকার করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতাররা সংঘবদ্ধ পেশাদার ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য এবং তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ মহাসড়কে ডাকাতি ও ছিনতাই প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
উল্লেখ্য, এই নিয়ে এ মাসে ৯ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ভাঙ্গা থানা পুলিশ।



