গলাচিপায় নবজাতককে পাচারের ঘটনায় গ্রেফতার ২, নবজাতক উদ্ধার

২৬ মার্চ গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের আটখালী গ্রামের প্রবাসী শামিম গাজীর স্ত্রী শারমিন বেগম প্রসব বেদনা নিয়ে গলাচিপা নিউ লাইফ কেয়ার ক্লিনিক ও হাসপাতালে ভর্তি হন।

গলাচিপা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

Location :

Galachipa
নবজাতক শিশু অপহরণের ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে
নবজাতক শিশু অপহরণের ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে |নয়া দিগন্ত গ্রাফিক্স

পটুয়াখালীর গলাচিপায় নবজাতক শিশুকে পাচারের ঘটনায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে গলাচিপা থানা পুলিশ।

রোববার (২৬ এপ্রিল) এ ঘটনায় শিশুটির মা শারমিন বেগম (২৫) শ্বশুর রুস্তুম গাজী ও শাশুড়ি হাওয়া বেগমসহ পাঁচজনকে আসামি করে গলাচিপা থানায় মামালা দায়ের করেন।

গ্রেফতার দু’জন হলেন— বাদী শারমিনের শ্বশুর রুস্তুম গাজী ও গলাচিপা নিউ ক্লিনিকের সহায়তাকারী মোসা: লিপি বেগম।

থানা পুলিশ জানায়, নবজাতক শিশুটিকে পার্শ্ববর্তী উপজেলার গোছখালী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। সোমবার (২৭ এপ্রিল) শিশুটিকে পটুয়াখালী নারী ও শিশু কোর্টে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, ২৬ মার্চ গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের আটখালী গ্রামের প্রবাসী শামিম গাজীর স্ত্রী শারমিন বেগম প্রসব বেদনা নিয়ে গলাচিপা নিউ লাইফ কেয়ার ক্লিনিক ও হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই দিন রাতেই শারমিনের সিজার হয়। এতে তার ছেলেসন্তান হয়। পরে শারমিনের অজান্তে ক্লিনিকের সহায়তাকারী মোসা: লিপি বেগম তার ছেলেসন্তানকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

শারমিন জানান, আমার শাশুড়ি কোনো এক সময় তার মেয়ের বাড়ি কুষ্টিয়া বেড়াতে গেলে শ্বশুর অনৈতিকভাবে আমার শোবার কক্ষে প্রবেশ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। এতে আমি গর্ভবর্তী হয়ে পরি। বিষয়টি শ্বশুর রুস্তুম গাজী ও শাশুড়ি হাওয়া বেগমকে জানালে তারা দেখতেছি বলে আশ্বস্ত করে রাখে। আমার স্বামী ওমান প্রবাসি। বর্তমানে আমার পাঁচ বছরের একটি মেয়েসন্তান রয়েছে।

এ ব্যাপারে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জিল্লুর রহমান জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। ভিকটিমের তথ্য অনুযায়ী ১ নম্বর আসামি রুস্তুম গাজী ও অপহরণকারীর মূলহোতা লিপি বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।