ফেনীর আন্দোলনের সূচনা উপলক্ষে দিনটির স্মরণে গণঅভ্যুত্থানে এ জেলার সকল শহীদদের কবর জিয়ারত এবং দোয়ার আয়োজন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
রোববার (৬ জুলাই) সকাল ৮টায় ফেনী সদরের পাঁচগছিয়ার শহীদ ওয়াকিল আহমেদ শিহাবের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে রাত ৮টায় ফুলগাজীতে ইশতিয়াক আহমেদ শ্রাবণের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। নেতৃবৃন্দ শহীদ পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল আজিজ, আবদুল কাইয়ুম সোহাগ, আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ, সহ-সমন্বয়ক সালমান হোসেন, জুলাইয়ে আহত আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
আব্দুল আজিজ বলেন, ‘৬ জুলাই ফেনীর ২৫-৩০ জন সাহসী ছাত্র-তরুণের উপস্থিতিতে কোটাবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। যার এক পর্যায়ে একদফার আন্দোলনে ৪ আগস্ট মহিপালে আওয়ামী দুর্বৃত্তদের গুলিতে ১১ জন ভাইয়ের শহীদ ও অসংখ্য আহত হন। সে উপলক্ষে আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফেনীর সকল শহীদ পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়েছি এবং কবর জিয়ারত করেছি।’
আব্দুল কাইয়ুম সোহাগ বলেন, ‘গত বছরের এ দিনে আমরা আন্দোলন শুরু করি। এরপর ১৪ জুলাই স্মারকলিপি, ১৬ জুলাই রেলপথ অবরোধ ও ১৭ জুলাই বিক্ষোভ এভাবে ফেনীর আন্দোলন হাসিনা পতনের একদফা গণআন্দোলনে রূপ নেয়। ২০ থেকে ২৫ জনের উপস্থিতির মাধ্যমে শুরু হওয়া এ আন্দোলন শেষ পর্যন্ত আমরা গণআন্দোলন ও ১১ শহীদের রক্তের মাধ্যমে ফেনীও স্বৈরাচারমুক্ত হয়। সন্ত্রাসের গডফাদার নিজাম হাজারী তার অস্ত্রধারী সহযোগীদের নিয়ে পালিয়ে যায়।’



