রংপুরে নিরাপত্তাকর্মীর হাত-পা বাঁধা ও কৃষকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

রংপুরের পীরগঞ্জ ও মিঠাপুকুরে পৃথক ঘটনায় এক নিরাপত্তাকর্মী ও এক কৃষকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুই ঘটনায়ই হত্যার পর লাশ ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

সরকার মাজহারুল মান্নান, রংপুর ব্যুরো

Location :

Rangpur
রংপুর জেলার ম্যাপ
রংপুর জেলার ম্যাপ |নয়া দিগন্ত

রংপুরে কৃষিসম্প্রসারণ অধিদফতর বিএডিসির গভীর নলকুপের ঘরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক নিরাপত্তাকর্মীর এবং রাস্তার পাশে এক ব্যক্তির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ৯টায় দিকে পীরগঞ্জের বড়আলমপুর ইউনিয়নের বড়উমরপুর গ্রামে একটি গভীরনলকূপের ঘর থেকে মফিজার রহমানের (৪৫) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

মফিজার রহমান ওই এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে।

প্রাথমিক তদন্তের উদ্ধৃতি দিয়ে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক বলেন, বুধবার ( ৬ মে) দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে ঘরের ভেতরে হাত-পা বেঁধে পিটিয়ে হত্যার পর বিদ্যুতের খুটিতে থাকা তিনটি ট্রান্সমিটারের ভেতরের তামার তারসহ আনুসঙ্গিক জিনিসপত্র চুরি করে ট্রান্সমিটারের খালি খোলগুলো ফেলে রেখে যায়। বৈদ্যুতিক গভীর নলকুপটি পাহাড়া দিতেন মফিজার রহমান। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে আমরা তার লাশ উদ্ধার করি। সুরুতহাল তৈরি শেষে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

এদিকে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: নুরুজ্জামান জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে উপজেলার ময়েনপুর ইউনিয়নের নাগেরহাট সড়কের কসবা এলাকায় হাঁড়িভাঙ্গা আমেরবাগান থেকে একটি গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তার পরনে শার্ট ও লুঙ্গি ছিল। তার নাম আবু সায়েদ (৩৪)।

তিনি স্থানীয় উচাবালুয়া এলাকার আজগর আলীর ছেলে। দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার পর সেখানে ফেলে রেখে যায়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহত আবু সায়েদের বাবা আজগর আলী বলেন, ‘বুধবার (৬ মে) বিকেলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি। কৃষিকাজের সাথে জড়িত ছিলেন সায়েদ।’

রংপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, ‘দু‘টি ঘটনা গুরুত্বের সাথে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অপরাধী কেউ ছাড় পাবে না।’