ট্রাফিক আইন অমান্য, বৈধ কাগজপত্র ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহন চলাচলের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে গত তিন মাসে প্রায় এক কোটি টাকা জরিমানা আদায়ে রেকর্ড গড়েছে সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক অফিস।
২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ৭৬২টি মামলার বিপরীতে ৪১ লাখ ৫৬ হাজার ৪০০ টাকা ও ফেব্রুয়ারি মাসে ৪৩৯টি মামলার বিপরীতে ২৭ লাখ ৪৮ হাজার ৭২৫ টাকা মার্চ মাসে ৩৩১টি মামলার বিপরীতে ২২ লাখ ৬৪ হাজার ২৫০ টাকা
এবং ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ৫৭৫টি মামলার বিপরীতে ৩০ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকা সর্বমোট এক কোটি একুশ লাখ ৭১ হাজার ৮৭৫ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। যা সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক অফিসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
ট্রাফিক আইন অমান্য করে গাড়ি চালানো এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় যানবাহনের মালিক চালকদের কাছ থেকে গত চার মাসে প্রায় সোয়া এক কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়।
চৈত্র-বৈশাখের খরতাপে তীব্র তাপদাহে মহাসড়কে উত্তপ্ত পরিবেশে ডিউটি করে থাকেন ট্রাফিক সার্জন সদস্যরা।
ঈদের ছুটিতে পরিবার পরিজন নিয়ে সবাই ঈদ করতে পারলেও ট্রাফিক বিভাগের বেশিরভাগ লোকজন রোদ বৃষ্টিতে ভিজে ঈদের দিনে সড়কে দায়িত্ব পালন করেন। সবার ঈদ যাত্রায় সড়কের শৃংখলা ও নির্বিঘ্ন করতে সদা ব্যস্ত থাকেন। তারপরও তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে আমরা কার্পণ্য করে থাকি।
সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক অফিসের পরিদর্শক মোফাকখারুল ইসলাম বলেন, ‘রেজিস্ট্রেশন ও বৈধ কাগজপত্রবিহীন বাস, ট্রাক, মোটরবাইক ও সিএনজি চালানো এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কারণে গত চার মাসে রেকর্ড প্রায় সোয়া এক কোটি টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ইউক্যাশের মাধ্যমে এই টাকা আদায় করে সরকারের রাজস্ব খাতে জমা হয়। এবারের ঈদে সড়কে শৃঙ্খলা ঠিকঠাক রাখতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশ।
এছাড়া আমাদের শক্ত অবস্থানের কারণে বাস-ট্রাক মালিক শ্রমিকদের সড়ক মহাসড়কে কোথাও চাঁদা দিতে হয় না। সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশ চাঁদাবাজিমুক্ত মহাসড়ক হিসেবে কাজ করছে।



