ব্রাহ্মণপাড়ায় সড়কের জলাবদ্ধতা দূরীকরণে মাঠে ইউএনও

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের টাটেরা চৌমুহনী এলাকায় জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান।

Location :

Brahmanpara
ব্রাহ্মণপাড়ায় সড়কের জলাবদ্ধতা দূরীকরণে মাঠে ইউএনও
ব্রাহ্মণপাড়ায় সড়কের জলাবদ্ধতা দূরীকরণে মাঠে ইউএনও |নয়া দিগন্ত

ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) সংবাদদাতা

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের টাটেরা চৌমুহনী এলাকায় জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন।

স্থানীয়রা জানান, টাটেরা চৌমুহনী এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই কুমিল্লা-মিরপুর সড়কে পানি জমে যায়। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা ও ভারী বৃষ্টির সময় পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে ওঠে।

ইউএনও মাহমুদা জাহান বলেন, ‘আপাতত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহন চলাচলে সমস্যা না হয়। বিষয়টি নিয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের সাথে কথা বলেছি। ভবিষ্যতে যেন এখানে পানি জমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না হয়, সে জন্য স্থানটি উঁচু করার উদ্যোগ নেয়া হবে। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যেই সড়ক ও জনপদ বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

এর আগে সোমবার ও মঙ্গলবার (২৭-২৮ এপ্রিল) সকালে টানা ভারী বৃষ্টির পর টাটেরা চৌমুহনী এলাকার কুমিল্লা-মিরপুর সড়কের বিভিন্ন অংশ পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয় এবং পথচারীদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের দুই পাশে অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর ও দোকানপাট নির্মাণ, পুকুর ও নিচু জমি ভরাট করায় পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।

দ্রুত সময়ের মধ্যে ইউএনওর এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহন চালকেরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ দেখা দিত। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করায় এখন স্বস্তি ফিরেছে। তারা স্থায়ী সমাধানের জন্য সড়কটি উঁচু করাসহ কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি জানান।