মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির নেতা মো: জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে গুলি চালিয়ে দুইজনকে আহত করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের পাঁচ্চর গোলচত্বর নামক স্থানে আরমান সর্দার (৩৫) নামে এক পরিবহন শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, শিবচর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য আজমল হুদা চৌধুরী (ইথু) ঢাকায় যাবার জন্য প্রাইভেট ভাড়া নিতে চায় ড্রাইভার চার হাজার টাকা ভাড়া চাইলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়।
পরে শিবচর উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল হক জিয়ার নেতৃত্বে লোকজন জড়ো হয়ে ফারুক মোল্লার অফিসে হামলা চালায় এবং ভাংচুর করে, এবং শিকদার কান্দির নজরুল ইসলাম সর্দারের ছেলে আরমান গুলিবিদ্ধ হয়। পরে আরেকজন আহত হয়।
এতে আরমানসহ আহত দুজনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এই সংবাদ পেয়ে শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম ইবনে মিজান ও শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আমির হোসেন সেরনিয়াবাত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষন করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।
পাঁচ্চর গোলচত্বর গুলিতে আহত শ্রমিকের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সড়কে ঢাকামুখী গাড়ী চলাচল অনেকটা কমে গেলে যাত্রী ভোগান্তি বেড়ে যায়। রাতের আধারে ঢাকামুখী অনেক যাত্রী পরিবহনের অপেক্ষায় সড়কে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
পাঁচ্চর গোলচত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।



