কলারোয়ায় যুবকের লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ৯টা পর্যন্ত মেহেদী হাসান তার স্ত্রীর সাথে কলারোয়া উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের আলাইপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। রাত ৯টার পর বাড়ি যাওয়ার কথা বলে তিনি শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন।

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা

Location :

Satkhira
ডোবার পাশ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার
ডোবার পাশ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার |প্রতীকী ছবি

সাতক্ষীরার কালারোয়ায় গ্রামীণফোন টাওয়ার সংলগ্ন ডোবার পাশ থেকে মেহেদী হাসান (৩০) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে মোবাইল টাওয়ার সংলগ্ন ডোবার পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মেহেদী হাসান উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের মিজানুর রহমানের ছেলে।

নিহতের স্ত্রীর বরাত দিয়ে কলারোয়া থানা পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ৯টা পর্যন্ত মেহেদী হাসান তার স্ত্রীর সাথে কলারোয়া উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের আলাইপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। রাত ৯টার পর বাড়ি যাওয়ার কথা বলে তিনি শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন। শুক্রবার সকালে জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে মোবাইল টাওয়ার সংলগ্ন ডোবার পাশে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়।

নিহতের মা মনোয়ারা খাতুন বলেন, শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে মেহেদী বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। রাতে আর ফিরে আসেনি। শুক্রবার সকালে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানতে পারি, জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে মোবাইল টাওয়ারের পাশে ছেলের লাশ পড়ে রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, নজরুল ইসলাম নামে এক প্রতিবেশীর সাথে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরোধ রয়েছে। পূর্ব বিরোধীদের জের ধরে তারাই মেহেদীকে হত্যা করে থাকতে পারে বলে তিনি সন্দেহ পোষণ করছেন।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তবে অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টি নিশ্চিত করা যাবে।