সিলেট নগরীতে চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) বাকি পর্বের ম্যাচগুলোর নিরাপত্তায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশকে (এসএমপি) সহায়তা করবে আনসার।
চলমান অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২, অস্ত্র উদ্ধার ও নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়টি মাথায় রেখেই পুলিশ সদস্যদের অপ্রতুলতার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসএমপি। স্টেডিয়ামে নিরাপত্তার কাজে পুলিশ সদস্য কমিয়ে আনসার সদস্য বাড়ানোর বিষয়টিকে প্রাধান্য দিচ্ছেন তারা। মূলত যতজন পুলিশ সদস্য কমানো হবে ততজন আনসার নিযুক্ত করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলমান বিপিএলের ছয় দিনের ১২টি ম্যাচে নিরাপত্তার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিল সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। হঠাৎ করেই সিলেটে আরো ছয়টি অতিরিক্ত ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড- বিসিবি। এতে নিরাপত্তা নিয়ে বিপাকে পড়ে পুলিশ। তাই সিলেটের পুলিশ সদস্যরা জাতীয় নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকায় মোতায়েন থাকবেন, এমন কারণ দেখিয়ে বিসিবিকে চিঠি দেয় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)।
রোববার (৪ জানুয়ারি) এসএমপি কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী স্বাক্ষরিত চিঠিটি বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর কাছে প্রেরণ হয়।
এতে বলা হয়, সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বিপিএলের পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য বিসিবিকে বিকল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছিল চিঠিতে। যদিও পরে বিসিবির অনুরোধে বাকি ম্যাচেও নিরাপত্তার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে এসএমপি।
এ ব্যাপারে এসএমপির মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম দৈনিক নয়া দিগন্তকে বলেন, নির্বাচনি নিরাপত্তা ঘিরে পুলিশের ব্যস্ততা বেড়েছে। অপরাধ দমন অভিযান ও অস্ত্র উদ্ধারের মতো কার্যক্রমে চাপ তৈরি হলেও প্রথম পর্বে বিপিএলের নিরাপত্তা দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ ঘোষণার সময়ই বিসিবিকে বিকল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে জানানো হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, সোমবার (৫ জানুয়ারি) ম্যাচেও পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। বিকেল থেকে স্টেডিয়ামে আনসার সদস্য মোতায়েন শুরু হয়েছে। যতসংখ্যক আনসার মোতায়েন হবে, সমপরিমাণ পুলিশ সদস্যকে স্টেডিয়াম থেকে নির্বাচনি দায়িত্বে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। আগামী ম্যাচগুলোতে পুলিশ ও আনসার যৌথভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।



