পাকুন্দিয়ায় রাতের আঁধারে কৃষকের মরিচ ক্ষেত নষ্ট করে দিলো দুর্বৃত্তরা

এ বছর তিনি আট শতক জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে হাইব্রিড জাতের মরিচ চাষ করেছেন। সোমবার সকালে মরিচ ক্ষেতে পরিচর্যার জন্য গিয়ে দেখতে পান প্রায় দুই শতাধিক মরিচ গাছ কে বা কারা নষ্ট করে রেখেছে।

মুহিব্বুল্লাহ বচ্চন, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ)

Location :

Kishoreganj
রাতের আঁধারে নষ্ট করা মরিচ ক্ষেত
রাতের আঁধারে নষ্ট করা মরিচ ক্ষেত |নয়া দিগন্ত

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় রাতের আঁধারে কে বা কারা এক কৃষকের আট শতকের একটি মরিচ ক্ষেত নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

রোববার (১ মার্চ) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের দক্ষিণ চরটেকী নামাপাড়া গ্রামের কৃষক আল-মামুনের মরিচ ক্ষেতে এমন ঘটনা ঘটেছে। তিনি ওই গ্রামের সোহাগ মিয়ার ছেলে।

ভুক্তভোগী কৃষক আল-মামুন জানান, এ বছর তিনি আট শতক জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে হাইব্রিড জাতের মরিচ চাষ করেছেন এবং এতে তার ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। মরিচের ফলনও ভালো হয়েছে। গত পাঁচ দিন যাবৎ তিনি বাজারে মরিচ বিক্রি শুরু করেছেন। রমজান মাসে বাজার মূল্য ভালো থাকায় তিনি লাখ টাকা বিক্রয়ের স্বপ্ন দেখছেন। সোমবার সকালে তার বড় ভাই মরিচ ক্ষেতে পরিচর্যার জন্য জমিতে গিয়ে দেখতে পান প্রায় দুই শতাধিক মরিচ গাছ কে বা কারা নষ্ট করে রেখেছে।

প্রতিবেশী পল্লী চিকিৎসক দেলোয়ার হোসেন জানান, এই গ্রামের কৃষকরা বেশিভাগ রবি শস্য চাষাবাদ করে থাকেন। কে বা কারা মরিচ ক্ষেত নষ্ট করে দিলো কেউ কিছুই বলতে পারছেন না। তবে এমন কাণ্ডে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে পাকুন্দিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর-ই-আলম বলেন, ‘কৃষকের জমির ফসল নষ্ট করে দেয়া নিশ্চয়ই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। উপজেলা কৃষি অফিস সবসময় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদেরকে বিভিন্নভাবে ভর্তুকি দিয়ে থাকে। এ ঘটনায় সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’