জৈন্তাপুরে অবৈধ পাথর ক্রাশিং, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ইউএনও মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, প্রতিদিন ক্রাশার মেশিনে শত শত টন পাথর ভাঙানো হচ্ছে। এতে পাথরের সূক্ষ্ম গুঁড়া বাতাসে ছড়িয়ে মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে দেহে প্রবেশ করছে। ক্রাশার মেশিন পরিচালনার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি প্রয়োজন হলেও সংশ্লিষ্টদের তা ছিল না।

জৈন্তাপুর (সিলেট) সংবাদদাতা

Location :

Jointapur
জৈন্তাপুরে অবৈধ পাথর ক্রাশিং কারখানায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত
জৈন্তাপুরে অবৈধ পাথর ক্রাশিং কারখানায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত |নয়া দিগন্ত

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় অবৈধভাবে পাহাড়-টিলা ও লিজবহির্ভূত কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলন, মজুদ ও ক্রাশিংয়ের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি সৃষ্টির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলা বিএনপি নেতা নুরুল আমিন দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আসামপাড়া, রাংপানি নদী ও শ্রীপুর কোয়ারিসহ বিভিন্ন স্থান থেকে পাথর সংগ্রহ করে তার মালিকানাধীন ‘রূপালী স্টোন ক্রাশার মিল’-এ ভাঙাচ্ছিলেন। এছাড়া বাংলাবাজার এলাকায় রিয়াজ উদ্দিনের ক্রাশারেও একই ধরনের কার্যক্রম চলছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। পরিবেশ বিপন্ন ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টির অপরাধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরপূর্বক দুই ক্রাশার মালিকের কাছ থেকে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ইউএনও মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, প্রতিদিন ক্রাশার মেশিনে শত শত টন পাথর ভাঙানো হচ্ছে। এতে পাথরের সূক্ষ্ম গুঁড়া বাতাসে ছড়িয়ে মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে দেহে প্রবেশ করছে। ক্রাশার মেশিন পরিচালনার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি প্রয়োজন হলেও সংশ্লিষ্টদের তা ছিল না।

তিনি আরো জানান, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় টিলা কেটে পাথর উত্তোলন এবং অবৈধ ক্রাশিংয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্যকারীদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না।