খাল খনন শেষে কোষাগারে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা ফেরত দিলেন কাউখালীর ইউএনও

পিরোজপুরের কাউখালীতে খাল পুনঃখনন প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে অব্যবহৃত ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন ইউএনও আসাদুজ্জামান।

কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা

Location :

Kaukhali
খাল পুনঃখনন সম্পন্ন করে প্রকল্পের অব্যবহৃত টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন কাউখালীর ইউএনও
খাল পুনঃখনন সম্পন্ন করে প্রকল্পের অব্যবহৃত টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন কাউখালীর ইউএনও |নয়া দিগন্ত

পিরোজপুরের কাউখালীতে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থের সঠিক ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: আসাদুজ্জামান। খাল পুনঃখননের কাজ সম্পন্ন করার পর প্রকল্পের অব্যবহৃত ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাউখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মফিজুর রহমান।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে খাল পুনঃখনন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে উপজেলার সদর ইউনিয়নের দাসেরকাঠি দরগাবাড়ি খাল মেজার আলী শেখের বাড়ি থেকে মোদাচ্ছের মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার পুনঃখনন করা হয়েছে।

প্রকল্পের কাজ নির্ধারিতভাবে সম্পন্ন করার পর বরাদ্দের অর্থ থেকে অব্যবহৃত ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় এবং অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেয়ার এ উদ্যোগ সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার একটি দৃষ্টান্ত।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আসাদুজ্জামান বলেন, ‘জনগণের করের টাকার যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণ করা সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সম্প্রতি গৃহীত প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার পর অবশিষ্ট অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ অর্থ পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজে ভূমিকা রাখবে।’

তিনি আরো বলেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি বরাদ্দকৃত অর্থের প্রতিটি টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাও প্রশাসনের দায়িত্ব। জনগণের অর্থ অপচয় না করে প্রয়োজনীয় ব্যয় শেষে অব্যবহৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার এ ধারা অব্যাহত থাকবে।